বাংলাবাজার-শিমুলিয়া: সকালে যাত্রী চাপ, বিকেলে ফাঁকা

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২২, ০৬:৫৭ পিএম

ঈদের ছুটিতে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। তবে শুক্রবার সকালে বাংলাবাজার ঘাট পার হয়ে দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলার অভিমুখী যাত্রীদের প্রচুর ভিড় থাকলেও দুপুরের পর তা অর্ধেকে নেমে আসে। বিকেল নাগাদ যাত্রীর চাপ কমে অন্যান্য সাধারণ দিনের মতো হয়ে আসে।

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই গত দুই দিন ধরে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে এই নৌরুটে। তবে শুক্রবার সকাল থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোটে নদী পার হতে চাওয়া যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। এর পর দুপুর ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত যাত্রীর চাপ কিছুটা কমে আসে। তবে বেলা তিনটা থেকে যাত্রীদের পারাপার একেবারেই কমে যায়।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্র জানিয়েছে, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে। চাপ নিয়ন্ত্রণে বাংলাবাজার থেকে প্রায় যাত্রীশূন্য লঞ্চগুলো শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। ঢাকাগামী যাত্রীদের সংখ্যা বেশ কম রয়েছে। এদিকে ফেরিতেও বেড়েছে যানবাহনের সংখ্যা। তবে ফেরি কম থাকায় ঘাট এলাকায় যানবাহন পার হতে অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘক্ষণ।

বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, যেহেতু নৌরুটে দেশের একটি বড় অংশের যাত্রীদের পারাপর হতে হয়, তাই গত বুধবার ভোর থেকেই লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। যাত্রীদের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাত দশটা পর্যন্ত লঞ্চ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত ভোর সাড়ে ৬ টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত লঞ্চ সার্ভিস চালু থাকবে। এছাড়া স্পিডবোট ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চালু থাকবে।

সকাল থেকে শিমুলিয়া বাংলাবাজার ও মাঝির কান্দি নৌরুটে ১০ টি ফেরি চলাচল করছে। বেশির ভাগ যাত্রী লঞ্চ ও স্পিডবোটে পার হচ্ছে।

বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘সকালে যাত্রীদের ভিড় ছিল, কিন্তু বিকেলে তা অনেক কমে গেছে। নৌপথে রাত দশটা পর্যন্ত লঞ্চ চালু থাকবে। লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কোন যাত্রী আনার সুযোগ নেই।

বিআইডব্লিউটিসি'র বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন বলেন, আমাদের এই ঘাটে যানবাহনের তেমন চাপ নেই। ওপার থেকে ব্যক্তিগত ও জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি বেশি পার হচ্ছে। সকালে কিছু যাত্রী ফেরিতে পার হলেও বিকেলে থেকে শুধু যানবাহন পার হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত