কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ৫০ হাজার পর্যটক

আপডেট : ০৩ মে ২০২২, ০৬:৪৮ পিএম

এবারের ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে ১০ লাখ পর্যটক যাবেন বলে জানিয়েছিল পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। তার মধ্যে মঙ্গলবার ঈদের দিন সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে দেখা গেছে প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক। আগামীকাল সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আজ বেলা ১১টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে নামেন ৫ হাজার পর্যটক। সীগাল, লাবণী পয়েন্টে সমাগম হয় আরও ১৫ হাজার পর্যটকের। কলাতলী পয়েন্টে ঘুরতে দেখা গেছে ৫ হাজারের মতো। 

সব মিলিয়ে ঈদের দিন কক্সবাজারের ৪ কিলোমিটার সৈকতে ২৫-৩০ হাজার পর্যটকের সমাগম হয়। তার মধ্যে বিকেলে দিকে আরও ২০-৩০ হাজার পর্যটক নামেন সৈকতে।

পর্যটকের নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে বসে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম এই ব্যাপারে বলেন, ঈদের দিন সৈকতে ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক নেমেছেন। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ২০-৩০ হাজারের মতো স্থানীয় বাসিন্দা।

তিনি আরও বলেন, দেড় থেকে দুই লাখ পর্যটক ঈদের দ্বিতীয় দিনে সৈকতে নামতে পারেন। এত বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মাত্র দুই শতাধিক টুরিস্ট পুলিশকে। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে টুরিস্ট পুলিশ।

ঈদের টানা সাত দিনের ছুটিতে কক্সবাজার ভ্রমণে আসছেন প্রায় ১০ লাখ পর্যটক। ইতিমধ্যে পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস, রিসোর্ট, কটেজের ৬০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে।

রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট নানা খাতে এ সময় ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা ব্যক্ত করে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এবার কক্ষভাড়ার বিপরীতে বিশেষ কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তবে অতিরিক্ত চাপের অজুহাতে পর্যটকের কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত কক্ষভাড়া আদায় না করা হয়, সে বিষয়ে তৎপর থাকবে জেলা প্রশাসনের একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত ও হোটেলমালিকদের পৃথক পর্যবেক্ষক দল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত