নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আপন ভাই-বোনসহ অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাটিকুমরুল-বনপাড়া-ঢাকা মহাসড়কে উপজেলার মহিষভাঙ্গা এলাকায় গাজী অটো রাইস মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- নাটোর সদর উপজেলার পাইকোরদৌল এলাকার শাজাজান আলীর ছেলে কাওছার আলী (১৮) এবং মেয়ে সাদিয়া পারভীন(১২), নাটোর সদর উপজেলার একই গ্রামের আলমগীর হোসেন(৪৮), নাটোর লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী মোহনা আক্তার মিলি, টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার গ্রামের ভানু প্রামানিকের ছেলে জলিল (২৫), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মশিউর রহমান(২৫), এবং মাগুড়া জেলার মিজানুর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ন্যাশনাল পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব ১৪-৮০২৯) সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা সিয়াম পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো গ ১৪-৭০১০) মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
এ সময় ন্যাশনাল পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাজী অটো রাইস মিলের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অপর একটি ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
এ সময় ট্রাকটিও উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জন ও পাশের ক্লিনিকে নেওয়ার পর আরও এক যাত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও বনপাড়া ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতদের সঠিক পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এ ছাড়া হাসপাতালে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।
