নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি খামার থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা মূল্যের ১১টি গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি।
এর আগে ১৩ মে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয় ছনপাড়া এলাকায় অবস্থিত “ব্লু” এগ্রো ফার্ম” নামে একটি খামারে লুটের ঘটনা ঘটে।
খামারের মালিক সৈয়দ মোরসালিন জানান, তার খামারে ২৭টি ষাঁড় গরু, ৩টি গাভি, ২টি বকনা ও একটি ষাঁড় বাছুর লালন-পালন করে আসছিলেন। খামার দেখাশোনা করতেন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাদাৎপুর থানাধীন পুতাইদাহ এলাকার জোবানি খাঁয়ের ছেলে রহিম, নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধীন কান্দাইল এলাকার মহব্বত আলীর ছেলে রুবেল ও একই এলাকার কাজী শফিকুর রহমানের ছেলে কাজী শাহাদাৎসহ পাঁচ ব্যক্তি।
শনিবার ভোরে খামারের টিনের বেড়া কেটে ১২-১৩ জনের একটি ডাকাতদল ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা একটি পিকআপভ্যানে তুলে ৭টি শাহীওয়াল লাল, একটি শাহীওয়াল কালো, একটি সাদা, একটি গাভি লাল, একটি দেশীয় প্রজাতির সাদা গরু লুট করে নিয়ে যায়।
লুট হওয়া গরু’র বাজার মূল্য প্রায় ২১ লাখ টাকা বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, আমি প্রথমে ‘৯৯৯’-এ ফোন দেই। পরে আড়াইহাজার থানার পুলিশ খামারে আসে। তার অভিযোগ, ডাকাতির এই ঘটনায় খামারের কতিপয় কর্মচারি জড়িত থাকতে পারে।
আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। লুট হওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় আরও বেশ কিছু খামার থেকে বিভিন্ন সময় গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
এদের মধ্যে স্থানীয় দিঘলদী এলাকার গরু’র খামারি সোহাগ খাঁনের ভাই রাজিব খাঁন জানান, স্থানীয় ব্র্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের দিঘলদী এলাকায় অবস্থিত “আজাদ এগ্রো” নামে একটি খামার থেকে বছরখানেক আগে ৯টি ষাঁড় গরু লুট করে দুর্বৃত্তরা। যার বাজার মূল্য ছিল প্রায় ১৪ লাখ টাকা। এ ঘটনায় থানায় আজাদ খান সোহাগ বাদী হয়ে একটি মামলা করলেও পুলিশ একটি গরুও উদ্ধার করতে পারেনি।
