নেপালে উধাও হয়ে যাওয়া বিমানের খোঁজ মিলল যেভাবে

আপডেট : ২৯ মে ২০২২, ০৭:৪৭ পিএম

নেপালের আকাশ থেকে হুট করেই উধাও হয়ে যাওয়া বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। পাইলটের মোবাইল ফোনের জিপিএস লোকেশন ট্র্যাক করে বিমানটির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। বিমানটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন প্রভাকর ঘিমিরে।

বিমানের ক্যাপ্টেন ঘিমিরের মোবাইলে কল করার পর সৌভাগ্যক্রমে সেটি বেজে উঠলে নেপাল টেলিকম থেকে ফোনটি ট্র্যাক করে এর অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। এরপর নেপাল সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সম্ভাব্য দুর্ঘটনাস্থলে অবতরণ করেছে।

রবিবার সকালের দিকে ৪ ভারতীয়, তিন জাপানি নাগরিকসহ ২২ আরোহীকে নিয়ে তারা এয়ারের ৯৯-এনএইটি বিমানটি নিখোঁজ হয়। পোখারা থেকে জমসমের উদ্দেশে উড্ডয়নের ১৫মিনিট পর সকাল ৯টা ৫৫মিনিটের দিকে বিমানটির সঙ্গে রাডারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে বিমানটি মুসতাং জেলার লেতে এলাকার আকাশে ছিল।

উড্ডয়নের ১৫ মিনিট পরই নেপালের তারা এয়ারের দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট ৯-এনএইটি যাত্রীবাহী বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটিতে ১৩ জন নেপালি, ৪ জন ভারতীয়, দুই জার্মান এবং নেপালের তিনজন ক্রু ছিলেন।

সেনাবাহিনীর ১০ জন সদস্য এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দুই কর্মচারীকে নিয়ে সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার সম্ভাব্য স্থান মুসতাং জেলার নরশাং মঠের কাছে লামচে নদীর তীরে অবতরণ করেছে। এছাড়াও সেনা ও পুলিশ সদস্যরা স্থলপথেও ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওয়ানা করেছেন। দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের একটি দলও মোতায়েন করা হয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে। যে এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানে কোনও মানব বসতি নেই।

বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটি মুসতাংয়ের জমসমের আকাশে ছিল এবং তারপরে মাউন্ট ধৌলাগিরির দিকে মোড় নেয়। বিমানটি মুসতাং জেলার লেতের তিতি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত