গত ২ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমসেরনগরের যুবক নজরুল ইসলাম (৩২) শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে দাঁতের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে মারা যান। কিন্তু এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন মা।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে যুবকের লাশ দাফনের প্রায় পাঁচ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব মালাকারের উপস্থিতিতে উপজেলার শমসেরনগর ইউনিয়নের বিক্রমপুর কবরস্থান থেকে ওই যুবকের লাশ উত্তোলন করা হয়।
জানা যায়, নিহত নজরুল শমসেরনগর ইউনিয়নের ভাদাইরদেউল গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত উল্লার ছেলে।
পারিবারিকভাবে উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের রঙ্গু মিয়ার মেয়ে মশকুরা বেগমকে বিয়ে করেন তিনি।
গত ২৭ জানুয়ারি শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে ১ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে নজরুলের শ্বশুরবাড়িতে দাঁতের ব্যথায় ছটফট করে নজরুল মারা যান বলে বলা হয়।
তখন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়। পরবর্তীতে নজরুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ এনে গত ১৮ মে তার মা নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
