যেসব গুণে মানুষ আল্লাহর প্রিয় হয়

আপডেট : ১৯ জুন ২০২২, ১১:০৫ পিএম

এমন কিছু গুণ আছে সেগুলো অর্জন করা গেলে মহান আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া যায়। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে সেই বিশেষ গুণাবলির উল্লেখ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে সেসব গুণ আছে, মহান আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। নিম্নে সেগুলোর কয়েকটি তুলে ধরা হলো

নবীপ্রেম : আল্লাহর প্রিয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যাকে সৃষ্টি না করলে এই পৃথিবীকেই সৃষ্টি করা হতো না। আল্লাহ তার এই প্রিয় বন্ধুকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন, যা আর কাউকে দেওয়া হয়নি। মহান আল্লাহ তার এই বন্ধুকে এতটাই ভালোবাসেন যে আল্লাহর ভালোবাসা পেতে হলে নবীপ্রেম ও তার (নবীজির) অনুসরণকে বাধ্যতামূলক করেছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমাকে অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল।’সুরা আলে ইমরান : ৩১

হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, সেই আল্লাহর শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার বাবা ও সন্তানাদির চেয়ে অধিক ভালোবাসার পাত্র হই।’সহিহ্ বোখারি : ১৪

সৎকর্মশীল : সৎকর্ম আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম।  আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।’ সুরা বাকারা : ১৯৫

পবিত্রতা অর্জনকারী : যারা সব সময় পবিত্র থাকতে পছন্দ করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। ‘পবিত্রতা অর্জনকারীদের আল্লাহ পছন্দ করেন।’সুরা তাওবা : ১০৮

তওবাকারী : ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’সুরা আল বাকারা : ২২২

ধৈর্যশীল : ‘আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।’ সুরা আলে ইমরান : ১৪৬

আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল : ‘আল্লাহ (তার ওপর) নির্ভরশীলদের ভালোবাসেন।’সুরা  আলে ইমরান : ১৫৯

ন্যায়পরায়ণ : ‘আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’সুরা মায়েদা : ৪২

এ ছাড়া মানুষের উপকার করাও একটি মহৎ গুণ। যারা মানুষের উপকার করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। হাদিসে আছে, এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর খেদমতে হাজির হয়ে কিছু প্রশ্ন করেন। তার মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বান্দা কে? জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি বেশি পরিমাণ মানুষের উপকার করে।আল মুজামুল কাবির : ১৩৬৪৬

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত