স্বপ্নের পদ্মাসেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাগেরহাটে আনন্দ র্যালি করেছে জেলা প্রশাসন। পদ্মাসেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী আনন্দ মেলা, র্যালিসহ নানা আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার সকাল সোয়া নয়টায় বাগেরহাট শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ চত্বর থেকে একটি আনন্দ র্যালি বের করা হয়।
র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা পরিষদ মাঠে এসে শেষ হয়।
এতে বাগেরহাটের বিভিন্ন বিভাগের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণিপেশার সহ¯্রাধিক মানুষ সরকারের করা নানা উন্নয়নের ব্যানার, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে অংশ নেন। শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে বড় পর্দায় পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান প্রদর্শন করা হয়।
আনন্দ মেলায় দোকানিরা নানান পসরা সাজিয়ে বসেছে। মেলায় নাগরদোলাসহ শিশুদের জন্য নানা ইভেন্ট রয়েছে।
মেলায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়া জেলার নয় উপজেলাতেও চলছে নানা অনুষ্ঠান মেলা।
পরে বাগেরহাট শহরের জেলা পরিষদ মাঠে বেলুন উড়িয়ে সাত দিনব্যাপী আনন্দ মেলার উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।
এ সময় জেলার পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. খন্দকার রিজাউল করিমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, বাগেরহাটবাসীর আজ আনন্দের দিন। সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আনন্দ র্যালি, মেলা, দোয়া মাহফিল, প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয়। দিনটিকে ঘিরে সবাই উচ্ছ্বসিত।
এই পদ্মাসেতু উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে এই জেলার উন্নয়নের দুয়ার খুলে গেল। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে মোংলা বন্দর গতিশীল হবে। জেলার পর্যটন ও কৃষি শিল্পের মাধ্যমে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে সেই প্রত্যাশা করছি।
চিকিৎসক প্রদীপ বকসী তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধন হওয়ায় আজ স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। আনন্দে বুক ভরে উঠেছে। আজ বাংলাদেশ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। এটি আমাদের গর্ব করার মত। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
‘দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ঢাকায় যাওয়া আশা করছি। আমরা জানি এই পদ্মাসেতু আমাদের কাছে কি? এই সেতু খুলে যাওয়ায় দক্ষিণের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে।’
