বেলকুচিতে যুবলীগ নেতার ওপর হামলার মামলায় প্রধান আসামি প্রকৌশলী আমিরুল ইসলাম ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদসহ চারজনকে বাদ দিয়ে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পত্রিকা বিক্রেতার এজেন্ট দৌলত মন্ডলের ছেলে যুবলীগ নেতা নাবিন ম-লের ওপর হামলা হয় গত ১০ জুন। পরে ১৪ জুন মামলা রেকর্ড হলেও ৩০ জুন প্রধান আসামিকে বাদ দিয়ে সিরাজগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।
নাবিন মন্ডলের বাবা দৌলত মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, ‘হামলার পর প্রকৌশলী আমিরুল ইসলামকে প্রধান আসামি উল্লেখ করে অভিযোগ থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ তাকে বাদ দিয়ে মামলা করতে বলে। কিন্তু কোনো আসামিকে বাদ দিয়ে মামলা করতে অসম্মতি জানালে বেলকুচি থানার পুলিশ সেদিন মামলাই নেয়নি। পরে পত্রপত্রিকায় সংবাদ ছাপা হলে একপ্রকার চাপে পড়ে প্রকৌশলী আমিরুলের নামসহ মামলা নিতে বাধ্য হয় বেলকুচি থানা।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৌশলী আমিরুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নামে মামলা দিলেও বেলকুচি থানার পুলিশ “মনগড়া তদন্ত করে” প্রকৌশলী আমিরুল ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদসহ চারজনের নাম বাদ দিয়ে গত ৩০ জুন সিরাজগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দিয়েছে। মূল আসামিদের বাদ দেওয়া হবে তা আগে থেকেই আশঙ্কা করছিলাম। ২৪ জুলাই এ মামলার পরবর্তী শুনানি। আইনজীবীর মাধ্যমে আমি এ চার্জশিটে নারাজি দেব।’ বেলকুচি থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।’
