ভারত ও বাংলাদেশে নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়লেও দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীরা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। এখানে এখন সামাজিক দূরত্বের কোনো পদ্ধতি নেই, যাত্রীদের দেখা যায়নি মাস্ক ব্যবহার করতে, দুয়েকজনের মাস্ক থাকলেও সেগুলো থুতনিতে নামিয়ে রাখা দেখা যায়। এতে দেশে নতুন করে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন অনেকে।
জানা যায়, করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে ২০২০ সালের ২৩ মার্চ এই চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। করোনার প্রকোপ কমলে ২০২১ সালের ১৬ মে হিলি ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। তবে শুধু ভারত থেকে বাংলাদেশে যাত্রী আসতে পারত, যেতে পারত না। এরপর চলতি বছর ১৪ এপ্রিল থেকে এই পথ দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুর পর এই পথ দিয়ে দৈনিক ২৫০-৩০০ যাত্রী পারাপার হলেও সেই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে ৫০০-৬০০ যাত্রী যাতায়াত করছে। কিন্তু এসব যাত্রীর কাউকে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যাচ্ছে না। যাত্রীরা মাস্ক ব্যবহার করছে না। ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালকদেরও দেখা গেছে মাস্কবিহীন।
ভারতমুখী সুনিল বর্মণকে মাস্ক কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাস্ক তো পকেটে রয়েছে। তাড়াহুড়া করে আসছি, মানুষের সঙ্গে কথা বলছি, যার কারণে খুলে রেখেছিলাম।’ হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক যাত্রীদের চেকআপ করার পরেই আমাদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’
