কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী থেকে মালিকবিহীন ৪ কেজি ২৭৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, ২৫ কেজি কারেন্ট জাল ও একটি কাঠের নৌকা উদ্ধার করেছে টেকনাফ ২ বিজিবি।
রবিবার ভোরে টেকনাফ জালিয়ার দ্বীপ নাফনদী থেকে মাদকগুলো উদ্ধার করা হয়।
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি, রবিবার ভোর ৫টার দিকে দমদমিয়া বিওপি'র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম -৯ হতে আনুমানিক ৮০০ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে জালিয়ারদ্বীপ বরাবর নাফ নদী দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে।
ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের সার্বিক দিক নির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ লতিফুল বারীর নেতৃত্বে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর এবং দমদমিয়া বিওপি হতে দুইটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ৩০ জুলাই রাত ১০টায় জালিয়ারদ্বীপে কৌশলে অবস্থা নেয়।
টহলদল জালিয়ারদ্বীপে অবস্থান করাকালীন সময়ে ৩/৪ জন একটি কাঠের নৌকা নিয়ে মিয়ানমার হতে শূন্য লাইন অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখেন।
উক্ত ব্যক্তিরা জালিয়ারদ্বীপে আসলে পূর্ব থেকেই কৌশলে অবস্থানে থাকা বিজিবির টহলদল বর্ণিত ব্যক্তিদের চ্যালেঞ্জ ও ধাওয়া করলে উক্ত ব্যক্তিরা নৌকা হতে লাফিয়ে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে টহলদল নৌকাটি উদ্ধার করে নৌকার পাটাতনের নিচ হতে এবং মাছ ধরার জালের ভেতর পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় দুইটি প্লাস্টিকের ব্যাগ উদ্ধার করা করে।
উদ্ধারকৃত ব্যাগের ভেতর হতে ৪ কেজি ২৭৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, ২৫ কেজি কারেন্ট জাল উদ্ধার করে।
অধিনায়ক আরও জানান, উদ্ধারকৃত নৌকা ও কারেন্ট জাল টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমাকরত মালিকবিহীন ক্রিস্টাল মেথ আইস এবং ইয়াবা বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের জমা রাখা হয়েছে।
পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শেষে তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।
