চলন্ত বাসে ধর্ষণ করে রাজা, আওয়াল-নুর নবী করে লুট

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২২, ১১:০৩ পিএম

কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল এক্সপ্রেসের বাসে ডাকাতি ও যাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এদের মধ্যে চালক রাজা মিয়া যখন ওই নারীকে ধর্ষণ করে তখন ডাকাতদের মধ্যে অন্য একজন বাস চালায় বলে আদালতকে জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার অন্য দুজন আওয়াল ও নুর নবী মালামাল লুট করেছেন বলেও আদালতকে জানান।

শনিবার রাতে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শামছুল আলম ও রুমি খাতুন আসামিদের জবানবন্দি নেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বলেন, জবানবন্দি নেওয়া শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার সকালে কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আউয়াল এবং সোহাগ পল্লির শিলাবহ পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে নুর নবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ঝটিকা পরিবহনের চালক রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজা মিয়ার পাঁচ দিন রিমান্ড শেষে তিনজনকে আদালতে তোলা হয়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটিতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে লুটপাট ও ধর্ষণের পর টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়ায় একটি বালুর স্তূপে ফেলে ডাকাত দল পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মধুপুর থানায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় এ পর্যন্ত তিনজন গ্রেপ্তার রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত