টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ অভিযোগে তার দুলাভাই সবুজ মিয়াকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ।
ছাত্রীর বাবা মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক সবুজ ঘাটাইল উপজেলার গর্জনা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় দেড় বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সলিমনগর গ্রামের জনৈক ব্যক্তির মেয়েকে বিয়ে করেন সবুজ। বিয়ের পর পরই সবুজের নজর পরে স্কুল ছাত্রী শ্যালিকার দিকে।
গত সাত মাস আগে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসেন সবুজ। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শ্যালিকাকে ফুসলিয়ে কাছে নেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন। শ্যালিকা কান্না করলে দুলাভাই সবুজ মিয়া তাকে ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এভাবে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন সবুজ মিয়া। এতে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
গত কয়েকদিন আগে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ির লোকজন তার কাছে অসুস্থতার কারণ জানতে চায়। এক পর্যায় শিশুটি বাড়ির লোকজনকে বলে, দুলাভাই সবুজ তাকে ধর্ষণ করেছে। পরে বাড়ির লোকজন কৌশলে সবুজ মিয়াকে শ্বশুর বাড়িতে ডেকে আনেন। এর আগে শ্বশুর মেয়ের জামাই সবুজের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মির্জাপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পুলিশ রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে ধর্ষক সবুজ মিয়া গ্রেপ্তার করে।
এামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ জানান, ধর্ষক দুলাভাই সবুজকে মঙ্গলবার রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্কুলপড়ুয়া শিশু শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, বুধবার সকালে শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষক সবুজ মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
