জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকেই শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে আমূল পরিবর্তন আসছে। বদলের হাওয়ায় প্রথম পালকটা খসেছে রাসেল ডোমিঙ্গোর। টি-টোয়েন্টি থেকে তাকে সরিয়ে শ্রীধরন শ্রীরামকে টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। তার হাত ধরে টাইগারদের খেলার ধরনেও বৈচিত্র আনার গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আফগানিস্তান ম্যাচে নতুন বাংলাদেশকে দেখা যেতে পারে। তবে জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশারের মতে, সুপার ফোরে ওঠা টাইগারদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং।
এশিয়া কাপের ১৫তম আসরে বাংলাদেশ দলের মিশন শুরু হবে মঙ্গলবার, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। পরে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বি গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে সাকিব আল হাসানের দল। গ্রুপে সেরা দুই দলের মধ্যে থাকতে পারলেই মিলবে সুপার ফোরের টিকিট, যেখানে খেলা যাবে আরও তিনটি ম্যাচ। তবে সুপার ফোরে যাওয়ার আগে পেরোতে হবে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বাধা। যা মোটেও সহজ নয় বলে জানালেন টাইগারদের নির্বাচক ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন।
দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে অনুশীলনের ফাঁকে সুমন বলেছেন, ‘সবাই চাচ্ছে বিশেষ কিছু করতে। আমাদের জন্য দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া কঠিন একটা চ্যালেঞ্জ, গ্রুপটাও ওরকম। একটা সেরা দল বাদ পড়বে। এখানে ভুল করার সুযোগ খুব একটা নেই।’
খেলার ধরনের পরিবর্তন কতটা কী হলো তা খেলার দিন বোঝা যাবে বলে মনে করেন সুমন, ‘পরিবর্তন নির্ভর করছে খেলার ওপর, খেলার দিন বোঝা যাবে। অনুশীলনে সবকিছু খোলা মনে করা যায়, সবাই নিজের সেরাটা খেলতে পারে। কথাবার্তায়ও সবাই অনেক ইতিবাচক। আমরা কতটা বদলাতে পেরেছি, কতটা খেলতে পারছি সেটা ম্যাচের দিনই বোঝা যাবে।
তবে পরিবর্তন যাই হোক, মূল লক্ষ্য যে ম্যাচ জেতা তা মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি টাইগারদের নির্বাচক। তার ভাষ্য, ‘আমি খুব আশাবাদী। পরিবর্তন আমরা যেটাই করতে চাই, মূল লক্ষ্য তো ম্যাচটা জেতা। সবাই খুব ইতিবাচক। আশা করছি ম্যাচে আমরা প্রতিফলনটা দেখতে পারবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটা পরিষ্কার ধারণা নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। দলগুলো সম্পর্কে আমাদের ভালো ধারণা রয়েছে কারণ আগেও ওদের সঙ্গে খেলেছি। কন্ডিশন একটু আলাদা। সন্ধ্যায় খেলা হবে, আশা করি গরম খুব একটা সমস্যা করবে না। মূলত আমরা কী করতে চাই, কীভাবে খেলতে চাই তা নিয়েই বেশি আলোচনা হচ্ছে।’
