চলছে দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক অমিত হাবিবের স্মরণসভা। আজ শনিবার বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ সভা শুরু হয়।
মোস্তফা মামুনের পর ডায়াসে উঠে আসেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, নামি কলামিস্ট ড. এম এ মোমেন। তিনি মোস্তফা মামুনের কথার রেশ ধরে বলেন, সত্যিই তার সাথে শোক বিষয়টা যায় না। অমিত হাবিব একটা ম্যাজিক। অনেক বড় পত্রিকার পেছনের ম্যাজিশিয়ান অমিত হাবিব।
তিনি অনেক কথার শেষে বলেন, অমিতের প্রধান ব্যর্থতা তিনি শত্রু তৈরি করতে পারেননি। অমিত কারো দালালি করেননি। এ দেশের মানুষের দালালি করে গেছে সারাজীবন। ও এ দেশের মানুষের দালাল।
সৌরভ সরকার বাশির সুর দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন। এর পর প্রয়াত সম্পাদকের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এর পর প্রথমেই অমিত হাবিবের বিষয়ে, তার ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা করতে ডায়াসে ডাকা হয় দৈনিক দেশ রূপান্তরের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা মামুনকে।
মোস্তফা মামুন বলেন, অমিত হাবিবের সাথে শোকটা আসলে যায় না। তার সাথে যায় আনন্দ, অনেক বেশি সেলিব্রেশন। এই হচ্ছে অমিত হাবিব। ৩৭ বছরের সাংবাদিকতার ক্যারিয়ারে আমি ২৭ বছর তার সাথে ছিলাম। তিনি কখনো সামনে আসতেন না। সামনে থাকতে চাইতেন না। এ যুগে এটা মানায় না। তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখতেন। নিজে আড়ালে থেকে অন্যের মাঝে আলো ছড়িয়ে দিতে চান।
তিনি আরো বলেন, উনি অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। তার সময়ে সেরা বার্তা সম্পাদক ছিলেন তিনি। তিনি কখনো তার রাজনৈতিক চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত হননি। ১৯৯৮ সালে তিনি বার্তা সম্পাদক হন। তিনি শেষ পর্যন্ত সাংবাদিক ছিলেন।
