রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানের ভেতর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় (৩৮) এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল।
এদিকে গতকাল সকালে রাজধানীর বাড্ডার বেরাইদ এলাকার একটি বাসা থেকে লাইলী জাহান সাথী (৩১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার স্বামী আমিনুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রায়েরবাজার কবরস্থানের ভেতর থেকে উদ্ধার করা মরদেহের কাঁধ থেকে ডান হাত নেই। পুলিশের ধারণা ওই নারী প্রতিবন্ধী। আগে থেকেই তার হাত ছিল না। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। গতকাল রাত পর্যন্ত তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাদিয়া সারমিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রায়েরবাজার কবরস্থানের ১ নম্বর গেটের ভেতর জঙ্গল থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি দেখে চার-পাঁচ দিন আগের মনে হয়েছে। আশপাশের লোকজনের কাছে খোঁজ নিলেও তার পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।’
বাড্ডায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ : রাজধানীর বাড্ডার বেরাইদ এলাকার বড় বেরাইদ মোড়লপাড়ার একটি বাসা থেকে গৃহবধূ লাইলী জাহান সাথীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বাড্ডা থানার এসআই ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, স্বামী আমিনুল ইসলাম ও তিন মেয়েকে নিয়ে বেরাইদের বাসায় থাকতেন লাইলী জাহান সাথী। আমিনুল মোটরসাইকেলের রাইড শেয়ার করতেন। আর লাইলী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে আমিনুল বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফিরেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে রাত ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে যেকোনো সময় বাসার রান্নাঘরের গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন লাইলী। সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সাথীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
