ঢালিউডের হ্যান্ডসাম হাঙ্ক এ বি এম সুমন। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ‘বিউটি সার্কাস’-এ আসছেন আলাদা ইমেজে। এই ছবি নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ, ছবি : শেখ সাদী
বিউটি সার্কাস...
‘বিউটি সার্কাস’কে আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম ছবি হিসেবে বিবেচনা করি। যখন এটির প্রস্তাব পাই তখন চলচ্চিত্রে বলতে গেলে আমি নবীন। ২০১৭ সালে কাজ শুরু করি। এমন একটি ছবির অংশ করায় নির্মাতা মাহমুদ দিদারের প্রতি
কৃতজ্ঞতা। শুরু থেকেই এর প্রতি আমি অনেক বেশি ডেডিকেটেড ছিলাম। কারণ এই ছবির চরিত্র আমার বাস্তবের চরিত্রের থেকে একেবারেই বিপরীতমুখী। এই ছবির ‘রংলাল’ ছেলেটি প্রেমিক পুরুষ। তবে বাউ-ুলে, প্রতিবাদী ও বোহিমিয়ান টাইপের। তার যে ব্যাকগ্রাউন্ড, তার সঙ্গে এ বি এম সুমনের শহুরে চলনে-বলনের কোনো ছাপ থাকতে পারবে না। লুকটাও আলাদা। বড় চুল, বড় গোঁফ ও রঙিন পোশাক। এই লুকটা ধরে রাখতেই আমি দেড় বছর আর কোনো কাজ করিনি। আশা করছি সেই পরিশ্রম দর্শকের মনে দাগ কাটবে।
প্রত্যাশা...
ছবির গল্পটিই অসাধারণ। সরকারি অনুদানের ছবি হলেই যে কোনো ধরনের একটি ছবি বানিয়ে ফেলতে হবে, সেই ধারণা বিগত দিনে বেশ কিছু ছবি বদলে দিয়েছে। ‘বিউটি সার্কাস’ও তেমনি একটি ভালো ছবি হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা অনেক বড় আয়োজনে, তারকাবহুল কাস্টিং নিয়ে কাজটি করেছি। জয়া আহসান, ফেরদৌস আহমেদসহ অনেক গুণী শিল্পী কাজ করেছেন এতে। সর্বোপরি নির্মাতা দিদারের মুনশিয়ানা ছবিটিকে মানসম্মত করেছে বলে আমার বিশ্বাস। তাই শুরু থেকেই এর প্রতি আমার প্রত্যাশা ছিল অনেক। এখন ছবির ট্রেলার ও গান দেখে দর্শকের যে প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি তাতে প্রত্যাশা আরও বেড়ে গেছে।
জয়া আহসানের বিপরীতে...
আমার মতো জয়া আহসানও থিয়েটার না করে আসা শিল্পী। কিন্তু তিনি যে জায়গা তৈরি করেছেন সেটি অতুলনীয়। তাই তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি আমি। তিনি এত বড় তারকা আর আমি প্রায় নতুন একজন অভিনেতা, সেটা একবারের জন্যও বুঝতে দেননি। প্রতিনিয়ত আমাকে সাহায্য করেছেন। সহশিল্পী হিসেবেই শুধু নয়, একজন তারকা কেমন হওয়া উচিত সেটিও তার কাছ থেকে শিখেছি।
এক দিনে দুই ছবি...
এখন আমাদের সিনেমার দর্শক হলে ফিরতে শুরু করেছেন। এখন সবচেয়ে দরকার প্রতিনিয়ত ভালো ছবি মুক্তি দেওয়া। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে আমাদের ছবির সঙ্গে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ মুক্তি পাচ্ছে, সেটি আমি ইতিবাচকভাবেই দেখি। এখন বড় কথা ছবি যারই হোক না কেন, দর্শক আগে হলমুখী হোক। আমি এও বিশ্বাস করি, যারা সিনেমা হলেও দর্শক, তারা ভালো ছবি হলে দেখবেনই। হয়তো যে তারকাকে তারা বেশি পছন্দ করেন প্রথমে তার ছবিটি দেখবেন, কিন্তু পরে অন্য ছবিটিও দেখবেন। তবে এটাও সত্যি যে, একই দিনে ছবি মুক্তি পেলে দর্শক অবশ্যই ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু এখন আমাদের ইন্ডাস্ট্রির যে অবস্থা, তাতে এসব ভাবনার অবকাশ নেই।
