আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় ইউএনও, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার: যা বললেন তারা

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৩৬ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় বুধবার বিকেলে আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে দেখা গেছে ইউএনও এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী। 

আওয়ামী লীগের ওই শোভাযাত্রায় থাকা একটি পিকআপ ভ্যানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। 

তবে তাদের দাবি, আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের কর্মসূচি থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি পিকআপে একসঙ্গে ছিলেন।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে পটিয়া উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে সেটি বাসস্টেশনে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন নেতা-কর্মীরা। শোভাযাত্রার প্রথমে থাকা পিকআপ ভ্যানে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। 

দ্বিতীয় পিকআপটিতে ছিলেন ইউএনও মোহাম্মদ আতিকুল মামুন, পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল ইসলাম। 

সরকারি কর্মকর্তাদের বহনকারী পিকআপটিতে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ব্যানারও ছিল। 

ব্যানারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছবি দেখা যায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রা শেষ হলে পটিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠ থেকে আরেকটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটির নেতৃত্ব দেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম।

ইউএনও মোহাম্মদ আতিকুল মামুন বলেন, বুধবার একই সময়ে একই এলাকায় দুটি পক্ষ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। দুপক্ষই মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। কোনো ধরনের সংঘাত যাতে না ঘটে সে জন্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি পিকআপে চড়ে গিয়েছিলেন তারা। কোনোভাবে দলীয় কর্মসূচিতে ছিলেন না।

পিকআপে থাকা আরেক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগে বিভক্তি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে দুই পক্ষই একই সময়ে একই এলাকায় কর্মসূচির ডাক দেয়। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান বলেন, দুই পক্ষের কর্মসূচির কারণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। দুই পক্ষের সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আর তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত