৮ জনের মৃত্যুদন্ড, ১৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২২, ১২:২২ এএম

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান শুভ্র হত্যা মামলার রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদন্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে দেওয়া হয়েছে মৃত্যুদন্ডাদেশ। এ ছাড়া বগুড়ায় শাহজাহান হত্যা মামলায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার ঘোষণা করা হয় এসব রায়। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর

ময়মনসিংহ : গৌরীপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান শুভ্র হত্যা মামলার রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদন্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং খালাস দেওয়া হয়েছে নয়জনকে। তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন শুভ্রর স্বজনরা।

স্বজনরা বলছেন, হত্যার পরিকল্পনাকারী ও মূল আসামি মেয়র  সৈয়দ রফিকুল ইসলাম খালাস পেয়েছেন। এই রায় তারা মানতে পারছেন না।

মামলার বাদী শুভ্রর ভাই আবিদুর রহমান বলেন, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মেয়র রফিকুল ইসলামকে খালাস দেওয়ায় আমরা হতাশ। এই রায় মেনে নেওয়া সম্ভব না। ন্যায়বিচার  পেতে প্রয়োজনে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মনির কামাল ময়মনসিংহের গৌরীপুরের আলোচিত শুভ্র হত্যার ওই রায় ঘোষণা করেন। ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে গৌরীপুর মধ্যবাজার পান মহালে শুভ্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন উপজেলা বিএনপির একাংশের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মইলাকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিয়াদউজ্জামান রিয়াদ, গৌরীপুর পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমেদ রেজা, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোজাম্মেল হক, শরীফুল ইসলাম নাঈম, খাইরুল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন ও রুহুল আমিন। যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ছাত্রদলকর্মী শরীয়তউল্লাহ ওরফে সুমন, মাসুদ পারভেজ কার্জন ও যুবদলকর্মী রাসেল মিয়া।

গোপালগঞ্জ : স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী অছিকার রহমান সরদারকে (৬৭) মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুপুরে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্বাস উদ্দীন এই আদেশ দেন। মামলায় অপর ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত অছিকার রহমান সরদার টুঙ্গিপাড়ার গিমাডাঙ্গার মুন্সিরচর গজালিয়া গ্রামের মৃত সেকেন্দার সরদার ওরফে  সেকেন সরদারের ছেলে। ২০০৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে জরিনা বেগমকে হত্যা করা হয়।

বগুড়া : ২০০৩ সালে শাহজাহান হত্যা মামলায় সদরের শেখেরকোলা ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম রশিদ মৃধাসহ ১১ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দেয় আদালত। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়। দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হাবিবা মন্ডল এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন বিপ্লব মিয়া, রাসেল, জুয়েল প্রাং, সবুজ আকন্দ, উজ্জ্বল আকন্দ, আবদুল হান্নান, পিলু খন্দকার, মোকলেছার রহমান মুকুল ও আবদুল হামিদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত