চার পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২৩ পিএম

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সাত ইউনিয়নের চার পয়েন্টে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে পাউবো নিয়ন্ত্রিত বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। এর ফলে সাগরের লবণাক্ত পানি ঢুকে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে।

সাগরের জোয়ারের পানিতে অসংখ্য চিংড়ি ঘের, পুকুর, আমন ও সবজি চাষের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এর ফলে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে দিনরাত সাগরের জোয়ারের লবণাক্ত লোকালয়ে পানি ঢুকছে।

জানা যায়, সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সাগরের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বৃদ্ধি পেলে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম অংশে গোঁয়াখালী ভোলাখাল সংলগ্ন পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এদিন রাতে একই সময়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা গ্রামে পাউবো নিয়ন্ত্রিত বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাটাফাঁড়ী ব্রিজ-উজানটিয়া সড়কের লায়ন মুজিবের বাড়ি সংলগ্ন পাউবো নিয়ন্ত্রিত বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে সাগরের লবণাক্ত পানি ঢোকে। রাজাখালী ইউনিয়নেও বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকেছে।  মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা গ্রামে পাউবোর বেড়িবাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বান্দরবান জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী বাবু অরূপ। 

তিনি বলেন, পেকুয়া উপজেলায় ভাঙা বেড়িবাঁধ পরিদর্শন শেষে কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করা হবে। 

 মগনামা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শাহ আলম বলেন, সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে তার ওয়ার্ডের লায়ন মুজিবের সামনে পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। ভাঙা বেড়িবাঁধ জোয়ারের পানি ঢুকে কুম পাড়া, মটকাভাঙ্গা, ধারিয়াখালী, বাইন্যা ঘোনা গ্রামের অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে চিংড়ি ঘের ও শত শত পুকুর। 

ইউপি সদস্য আরো বলেন, পেকুয়া উপজেলা সদরের সঙ্গে উজানটিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

তিনি দ্রুত ভাঙা বেড়িবাঁধ মেরামত করার জন্য পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত