জাপানের কাছে বাংলাদেশ বাজেট সহায়তা চেয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। তিনি বলেন, আইএমএফ বাজেট সহায়তা ছাড় শুরু করবে আগামী বছর। আমরা এখনো বাজেট সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে আলোচনা হচ্ছে। আশা করছি একটা ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত মন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে এর মধ্যে আমার সাক্ষাৎ হয়নি। গতকাল ফেইসবুক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগের দিনে জাতীয় ভোট নিয়ে মন্তব্য করায় জাপানি রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে। যা বলার তাই বলা হয়েছে। এমন প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত এমন উত্তর দেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, জাপান আমাদের ভালো বন্ধু। প্রায় তিন বছর ধরে নাওয়কি এখানে কাজ করেছেন। জাপান প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাজেট সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা চেয়েছি। তারা বিবেচনা করছেন। আশা করছি এই সহায়তা আমরা পাব।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশে তিন বছর সময়ে আমার অত্যন্ত দারুণ সময় কেটেছে। অনেক মেগা প্রকল্পের সঙ্গে আমরা ছিলাম। এর মধ্যে মেট্রোরেল লাইন-৬ উদ্বোধন হবে ডিসেম্বরে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ৫০ বছর পার করছে। জাপানের সঙ্গেও সম্পর্কেও ৫০ বছর চলছে। এক্ষত্রে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর সম্পর্ক আরও উন্নয়নে কাজ করছে। বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর গড়ে উঠেছে। আমরা করোনার সময় ২০ সালে এবং ২০২১ সালে বাজেট সহায়তা দিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তা বিশে^র সবার জন্যই চ্যালেঞ্জ। তবে বাংলাদেশের সক্ষমতা বেশি। আশা করছি এ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে আসতে পারবে।
