কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গৌরীপুর-আসমানিয়া সড়কের লক্ষীপুর এলাকায় সড়ক ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শনিবার (১৯ নভেম্বর) ভোরে ধসে পড়া সড়কে চলাচলকারী ১৫ গ্রামের প্রায় বিশ হাজার মানুষ পড়েছেন বিপাকে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, গৌরীপুর-আসমানিয়া সড়কটি গোমতী নদীর পাড় ঘেঁষে হওয়ায় দুই বছর আগেও একই স্থানে ধসে পড়েছিল।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ওইসময় সড়কটি মেরামত ও নদী ভাঙন বা ধস থেকে রক্ষা করতে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেন।
সড়কে চলাচলকারী ইব্রাহিম ও মাসুম জানান, সড়কটি নদীর পাড়ে হওয়ায় প্রতিবছরই বর্ষা শেষে ফাটল দেখা দেয়। আর যেহেতু সড়কটির এক পাশে নদী অপর পাশে ডোবা ও বাড়ি রয়েছে, তাই নদীর পানি কমতে শুরু করলে ডোবা থেকে নদীতে পানি সোক করে। যেখানে পানি সোক করে সেখানে দিয়েই সড়কটি ধসে পড়ে।
এতে দাউদকান্দি উপজেলার চারপাড়া, চান্দেরচর, গলিয়ারচর, দক্ষিণ নারান্দিয়া, তিতাস উপজেলার আসমানিয়া, খলিলাবাদ, উত্তর নারান্দিয়াসহ মুরাদনগরের কয়েকটি গ্রামসহ অন্তত ১৫ গ্রামের প্রায় বিশ হাজার বাসিন্দা দুর্ভোগে পড়েছেন। এসব গ্রামের উৎপাদিত নানা কৃষিজ পণ্যদ্রব্য পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটছে। আর প্রতি বছরই এসড়কে চলাচলকারীদের এমন দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নোমান সরকার বলেন, সড়কটি ধসে যাওয়ায় কোন যানবাহন এবং পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারছেন না। এ পথে চলাচলকারীদের ভোগান্তি বেড়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। মানুষ যাতে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারে, সেজন্য আপাতত ধসে যাওয়া অংশে বালু দিয়ে মেরামতের প্রস্তুতি চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিনুল হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ধসে যাওয়া সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে দ্রুত মেরামতের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।
