তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, হত্যা আর বাড়িঘরে আগুন

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫০ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শীতল মিয়া (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা একাধিক বাড়ি ঘরে আগুন দিয়েছে। এতে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানা যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের মুক্তারামপুর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের মুক্তারামপুর ধরাভাঙ্গা রোডে শুক্রবার সন্ধ্যায় পিকআপ থেকে জিপি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মুক্তারামপুর গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়ার সাথে ধরাভাঙ্গা গ্রামের সলিমগঞ্জ বাজারের লাইনম্যান রহিম মিয়ার কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জেরে শনিবার সকালে ধরাভাঙ্গা গ্রামের চেয়ারম্যানের ছেলে মানিক ও খোকনকে মারধর করে। মারধরের খবর ধরাভাঙ্গা গ্রামের ছড়িয়ে পড়লে ধরাভাঙ্গা গ্রামের লোকজন চেয়ারম্যানের ছেলে মানিক মিয়া ও ডাম বাবুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুক্তারামপুর গ্রামে হামলা চালায়।

এ সময় মুক্তারামপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মৃত কানু মিয়ার ছেলে শীতল মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় হামলাকারীরা মুক্তারামপুর গ্রামের ছয়টি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। হামলা সংঘর্ষে মুক্তিযোদ্ধা মালেক মিয়া, দুলাল মিয়া মেহেদী হাসান, আমির মিয়া, সুমন, রয়েল মিয়া, মোহাম্মদ আলীসহ দু'গ্রামের ১৫/২০ জন আহত হয়।

স্থানীয় চেয়ারম্যানের বক্তব্য ফোন করেও পাওয়া যায়নি। নবীনগর থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি, আমরাও রয়েছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত