আয়োজনহীন তবুও পর্যটকে মুখর কক্সবাজার সৈকত

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৩০ পিএম

নেই কোন উৎসবের আয়োজন। তবুও পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। ২০২২ সালের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে সমুদ্র সৈকতে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় চোখে পড়ার মত। তাদের নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। হয়রানি বন্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের চারটি টিম টহল দিচ্ছে পর্যটন এলাকায়।

ইংরেজি বছরের শেষ দিনের সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় কক্সবাজারে বিপুল পর্যটকের আগমন ঘটেছে। সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যকে বিদায় জানিয়েছেন সমুদ্র সৈকতে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। বিদায় ২০২২ সালের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে বিকালের পর থেকে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে থাকে আগত পর্যটকরা।

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আগত পর্যটক দম্পতি ফরিদ-বৈশাখী বলেন, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। বিবাহ বার্ষিকী ও বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে আমরা আজ কক্সবাজার এসেছি।

ময়মনসিংহের ভালুকার পর্যটক রাসেল চৌধুরী বলেন, কালের গহ্বরে হারিয়ে গেলো আরও একটি বছর। ২০২২ কে বিদায় জানাতেই আমরা ৬ বন্ধু সমুদ্র শহরে এসেছি।

হোটেল দ্যা কক্স ট্যুরের জিএম আবু তালেব শাহ বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে হোটেলে কোন আয়োজন নেই। তবে ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে।

হোটেল মোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাজা শাহ আলম চৌধুরী বলেন, আগত পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করি। কোন হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, বছরের শেষ সূর্য ডোবার দৃশ্য দেখতে যেসব পর্যটক কক্সবাজার আগমন ঘটেছে তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সৈকতে রাতে যেসব পর্যটক থাকবে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাতে সৈকতে কোন ধরনের অনুষ্ঠান হবে না। তবে পর্যটকরা অবশ্যই সৈকতে থাকবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. শাহীন ইমরান বলেন, বছরের শেষ ও নতুন দিন দেখার জন্য যেসব পর্যটক কক্সবাজার আগমন ঘটেছে তাদের নিরাপত্তার জন্য পর্যটন সেল থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যটকরা যাতে কোন প্রকার হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চারটি টিম সমুদ্র সৈকত সহ আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত