বগুড়ায় এলজিইডির প্রকৌশলীর ওপর মুখোশধারীদের হামলা

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:০৯ পিএম

বগুড়ার শেরপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাজর-বিলনোথার সড়কে মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়। প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

হামলার বিষয় নিশ্চিত করে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী লিয়াকত হোসেন জানান, উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাজর গ্রামে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণকাজ চলছে। সেটি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান। সেই কাজের মান গুণগত না হওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আবার নতুন করে সোমবার ব্রিজ নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেই কাজ পরিদর্শনে যান তিনি। একপর্যায়ে অফিসে ফেরার পথে তিনজন সশস্ত্র মুখোশধারী সিএনজি নিয়ে তার মোটরসাইকেল গতিরোধ করে অতর্কিতভাবে এসে তার ওপর হামলা করে বেধড়ক মারপিট করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন। এ হামলার ঘটনায় ঠিকাদারের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বিগত এক সপ্তাহ আগে ওই ব্রিজটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সঙ্গে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। সেই সঙ্গে ব্রিজ নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজ বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেন তিনি।

হামলায় শিকার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান বলেন, সিনহা নামের একজন লোক আছেন সেই এই কাজ করিয়েছেন বলে আমার ধারণা।

এই হামলার ঘটনায় ওই কাজের ঠিকাদার খোবাইব হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এ ঘটনার সঙ্গে তিনি বা তার কোনো লোক জড়িত নেই বলেও দাবি করেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি ওই হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিতকরণসহ গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত