শিক্ষক প্রশিক্ষণের টাকা দিতে গড়িমসি

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:০৭ এএম

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের টাকা কম দেওয়ায় শিক্ষা কর্মকর্র্তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার সন্ধ্যায় মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ট্রেনিং শেষে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে শিক্ষকরা। পরে শিক্ষা কর্মকর্তা টাকা ফেরত দিয়ে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পাঁচদিনব্যাপী ৬৫২ জন শিক্ষকের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এতে ৪৪টি স্কুল ও ১৮টি মাদ্রাসার ৬৩৮ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। পাঁচদিনে শিক্ষকদের সম্মানি বাবদ বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ১৩০ টাকা করে। এছাড়া নাস্তা বাবদ প্রত্যেকের জন্য দিনে ৮০ টাকা করে বরাদ্দ ছিল।

নাম প্রকাশ না করে মোহানপুর উপজেলার একাধিক শিক্ষক বলেন, প্রথম দুইদিন যে নাস্তা দেওয়া হয়েছে তাকে কোনোভাবেই ৮০ টাকার বলা যাবে না। সব মিলিয়ে বড়জোর ২৫ থেকে ৩০ টাকা হবে। এজন্য শিক্ষকরা সবাই মিলে জানায় আমরা নাস্তা খাবো না, টাকা নিবো। শিক্ষা কর্মকর্তারা বলেন আমরা ৮০ টাকার বদলে ৫০ টাকা করে দিতে পারবো। এই ১৫০ টাকাসহ শিক্ষকদের প্রত্যেকের মোট সম্মানি দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৮০ টাকা করে। কিন্তু ট্রেনিং শেষে প্রত্যেকের এই টাকা থেকে ৮০ টাকা করে কেটে রাখেন শিক্ষা কর্মকর্তারা। এতে শিক্ষকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করেন। পরে তারা বাধ্য হয়ে প্রত্যেককে ৫ হাজার ২৭০ টাকা করে দিয়ে ট্রেনিং সেন্টার ছেড়ে গেছেন। তবে অবরুদ্ধ হওয়ার বিষয় অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুকতাদির আহমেদ বলেন, ‘ট্রেনিংয়ে ভ্যাট কাটা নিয়ে যে চিঠি ছিলো সেটাতে তারা কিছু টাকা কম পাচ্ছিলো। এরপর তারাও একটি চিঠি দিলো। পরে ভুল বোঝাবুঝির কারণে যে টাকাটা তারা কম পাচ্ছিলো ঐ টাকা তাদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত