স্বাস্থ্যসেবার গতি বাড়াবে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:১৪ পিএম

হস্তান্তরের সাড়ে তিন বছর পর মাদারীপুর জেলা সদরের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরছে জেলার ১৩ লাখ মানুষের। তবে স্বাস্থ্যসেবার গতি বাড়াতে হাসপাতালটি আংশিক চালু হলেও অতিদ্রুত আধুনিক সেবার সব কার্যক্রম নিয়ে পুরোটাই চালুর দাবি জেলাবাসীর। ২ ফেব্রুয়ারি ২৫০ শয্যার মধ্যে মাত্র ৫০ শয্যা চালুর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান। উদ্বোধনের সময় পর্যায়ক্রমে পুরো ২৫০ শয্যা চালুর আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদেও একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে। আসা করছি সব ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম চালু হবে।

জানা যায়, ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ থেকে ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের সাততলা ভবন নির্মাণের পর ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগে হস্তান্তর করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। জেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় তিন কোটি টাকার সিটি স্ক্যান মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ১০টি কার্ডিয়াক মনিটরসহ কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে। প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে লিফটের ব্যবস্থা। এটি পূর্ণাঙ্গ চালু করা গেলে জেলার সাড়ে ১৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান, সরকারের মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং তারা খুবই আনন্দিত জেলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি চালু হওয়ায়। তবে তাদের একটাই দাবি, হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করা হলে তরা আধুনিক সেবা পাবেন। সেটাই যেন অতিদ্রুত করা হয়।

এ বিষয়ে মাদারীপুর সিভিল সার্জন মুনীর আহমেদ খান বলেন, ‘আমরা আংশিকভাবে হলেও হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ হাতে নিই। আশা করছি, এখন থেকে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম আগের থেকে সহজ হবে। এ ছাড়া হাসপাতালের আধুনিক যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করছি। এতে স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা আরও সহজ হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত