ভাঙনে বিলীন সংযোগ সড়ক কাজে আসছে না সেতুটি

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০১:১৮ এএম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে পদ্মা নদীর শাখা খালের ওপর একটি সেতুর সংযোগ সড়ক গত বর্ষা মৌসুমে ভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়ায় এটি কাজে আসছে না। সেতুটি কাত হয়ে আছে। দূর থেকে তাকালে মনে হবে খালের পানিতে যেন ভাসছে সেতুটি। এতে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার হাসাইল-বানারী ইউনিয়ন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে।

টঙ্গীবাড়ির নগরজোয়ার গ্রামের ওই খালের ওপর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জাইকার অর্থায়নে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদ সেতুটি নির্মাণ করে।

এ সেতুর ওপর দিয়ে টঙ্গীবাড়ির হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের আটিগাঁও, হাসাইল, বানারী, পাঁচনখোলা ও মান্দ্রা গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতেন। এ ছাড়া এই সেতু দিয়ে পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষ কম সময়ে ঢাকায় যাতায়াত করে আসছিলেন। জাজিরা ও নড়িয়ার কয়েকটি গ্রামের মানুষকে বর্তমানে প্রায় সাত কিলোমিটার ঘুরপথে ঢাকায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। 

পদ্মার শাখা খাল হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে এটি বেশ খরস্রোতা হয়ে ওঠে। স্রোতের তীব্রতায় গেল বর্ষায় এ খালে ভাঙন দেখা দেয়। এতে সেতুর দুপাশের সংযোগ সড়ক বিলীন হয়ে যায়। একদিকে দেবে যায় এটি। এরপর শীত মৌসুমে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালের বিভিন্ন স্থানে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে।

হাসাইল-বানারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুল কাদির বেপারী বলেন, বর্ষায় ভাঙলেও শীত মৌসুমে খালের বিভিন্ন স্থানে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। সেতুর দুপাশের সংযোগ সড়ক ভাঙনে বিলীন হওয়ায় এখন শুধু সেতুটি দাঁড়িয়ে আছে খালের বুকে।

নগরজোয়ার গ্রামের আব্দুল মজিদ বেপারী বলেন, ভাঙনে সংযোগ সড়ক বিলীন হওয়ার পাশাপাশি সেতুটি একপাশে দেবেও গেছে। আবার বিভিন্ন স্থানে পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। কয়েকটি স্থানে খালের চিহ্ন পর্যন্ত নেই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ হেল কাফি বলেন, যেহেতু খালের বিভিন্ন স্থানে ভরাট হয়ে গেছে, তাই সেখানে আর সেতুর প্রয়োজন নেই। সেতুটি ভেঙে ফেলতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির দরকার। অনুমতি পেলে সেতুটি বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত