একনজরে আজকের দেশ রূপান্তর (ভিডিও)

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:৫৯ পিএম

বাঙালির অমূল্য ইতিহাস আছে, ভাষা-সংস্কৃতির। সেই চর্যাপদের সময় থেকে আজ পর্যন্ত, বাঙালি হারিয়েছে অনেক। প্রাপ্তিও কম নেই। সুদীর্ঘ সময়ে, বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পার হয়ে বাঙালি আজ নিজস্ব পরিচয়ে অহংকারের পর্যায়ে। পৃথিবীর কয়টি দেশ আছে, যার নামগন্ধে জড়িয়ে আছে- ভাষা? এই বাংলাদেশটিই, ভাষায় মোড়ানো। তবু এক ধরনের উন্নাসিকতা, আমাদের আচ্ছন্ন করে। আমরা ভাষাশহীদদের কথা মনে রাখি না। রাখতে চাইও না! ব্যস্ত থাকি, নিজেকে নিয়ে। আপন স্বার্থপরতার কাছে, ঢাকা পড়ে যায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য। কেবলমাত্র বিশেষ দিনে, লোক দেখানো শ্রদ্ধা জানাই তাদের। কর্তব্য মনে করে, তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলি।

পড়ুন: ম্লান হয়ে যায় ইতিহাস


বাংলাদেশে যেহেতু বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ হতে পারে। ঢাকা সফরে আসা বিদেশি প্রতিনিধিরা সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমন বার্তাই দিতে চেয়েছেন। এ কারণে আওয়ামী লীগও সংঘাতের বিষয়ে সতর্ক থেকে রাজনীতির মাঠ নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়েই এগোতে চায়। দলটির পরিকল্পনা হলো, পরিস্থিতি উত্তপ্ত না করে সহশীলতা দেখিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে নির্বিষ রাখা। সে কারণে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ডেরেক শোলের সফরের পরদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের কাছ থেকে সংলাপের প্রসঙ্গটি আসে।

পড়ুন: চাপ সামলাতে অহিংস আ.লীগ


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন প্রভৃতি ১০ দফা দাবি জানিয়েছে বিএনপি। অভিন্ন দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট।

পড়ুন: ৭ দফায় এক হচ্ছে বিরোধীরা


দেশের বিভিন্ন স্থানের উড়ালপথগুলো দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এগুলো আখ্যা পাচ্ছে ডেঞ্জারাস ফ্লাইওভারের। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অপরাধীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে এসব স্থান। বিশেষ করে ছিনতাইকারী ও ভাসমান অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। অন্য কোথাও হত্যা করে লাশ ডাম্পিং করা হয় ফ্লাইওভারে।

পড়ুন: ফ্লাইওভার ভয়ংকর


পাকিস্তানের অর্থনীতি পৌঁছেছে খাদের কিনারে। মূল্যস্ফীতিতে নাভিশ্বাস ওঠা মানুষ জ্বালানি, খাদ্য, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটে দিন কাটাচ্ছে আতঙ্ক আর উদ্বেগে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারও। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (রিজার্ভ) টান পড়ার পাশাপাশি বিপুল ঋণ শোধের চাপে আক্ষরিক অর্থেই দিশেহারা দেশটি। তারপরও দেউলিয়াত্ব থেকে বাঁচতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের দিকেই তাকিয়ে আছে দেশটি। তবে নানা শর্তের কারণে আইএমএফের সঙ্গে ১০ দিনের আলোচনায় কোনো দিশা পায়নি দেশটি। তাই শেষ অবধি জনগণের ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপানোর পথেই হাঁটছে দেশটি। গত সোমবার এ লক্ষ্যে একটি বিলও পাস করা হয়েছে দেশটির পার্লামেন্টে।

পড়ুন: বাঁচার লড়াই ‘দেউলিয়া’ পাকিস্তানে


বৈশ্বিক মন্দা ও ডলার সংকটের কারণে বিদেশি ফলের দাম যতটা বাড়ার কথা বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে। মৌসুমি আমদানিকারক, মধ্যস্বত্বভোগী এবং আড়তদার দাম বৃদ্ধির এ কারসাজিতে জড়িত। এতে পকেট ভারী হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীদের আর ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

পড়ুন: ফলের বাজারে আগুন


অমর একুশে বইমেলার ২১তম দিন ছিল গতকাল মঙ্গলবার। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে গতকাল মেলা শুরু হয় সকাল ৮টায়। ফলে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে সকাল থেকেই মেলায় আসতে শুরু করেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। সন্ধ্যা নাগাদ মেলা হয়ে ওঠে মানুষের অরণ্য। দিনভর সাদা-কালো পোশাকের নারী-শিশু, তরুণ-তরুণীর উচ্ছ্বাস আর উল্লাসে মেতেছিল মেলা প্রাঙ্গণ। তবে মেলায় আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে বই কেনার চেয়ে সেলফি তোলায় আগ্রহ ছিল বেশি। বিক্রেতারা হতাশা প্রকাশ করলেও এমন দিনে মেলায় আসাকে স্মরণীয় রাখতে উচ্ছ্বসিত ছিলেন দর্শনার্থীরা।

পড়ুন: একুশ ধারণ করে বাঁধভাঙা ভিড়


আল্লাহতায়ালা কেয়ামতের দিনকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করেছেন। যেন মানুষ সেটাকে স্মরণে রেখে উপদেশ গ্রহণ এবং এ বিষয়ে চিন্তা করে। এগুলোর অন্যতম হলো- বিচার দিবস, ফায়সালার দিন, হিসাবের দিন, পরিতাপের দিন, মহাসমাবেশের দিন এবং পুনরুত্থান দিবস ইত্যাদি। যখন আল্লাহতায়ালা কেয়ামত সংঘটিত করার ঘোষণা দেবেন, তখন তিনি ফেরেশতা হজরত ইসরাফিলকে শিঙ্গায় ফুঁক দিতে আদেশ করবেন, সে শিঙ্গায় ফুঁক দেবে, আর তখনই মানুষের রুহগুলো উড়ে আসবে এবং এগুলোকে স্ব স্ব শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ‘আর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে, তখনই তারা কবর থেকে ছুটে আসবে তাদের রবের দিকে।’ -সুরা ইয়াসিন : ৫১

পড়ুন: কেয়ামত দিবসের ভয়াবহতা


ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারী নির্ভর দেশের পুঁজিবাজার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে যে লেনদেন হয়, তার মাত্র ২০ শতাংশেরও কম আসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে, যেটি বিশ্বের বিভিন্ন পুঁজিবাজারের বিপরীত চিত্র। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বহু বছর ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শত চেষ্টার পরও পুঁজিবাজারে এ ধরনের বিনিয়োগকারীর স্বল্পতা রয়েই গেছে।

পড়ুন: পুঁজিবাজারে হাজার কোটির বিনিয়োগকারী ৮ ব্যাংক


মহাবিশ্বে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহ বা গ্যালাক্সিতে প্রাণের আবির্ভাব ও সভ্যতা বিকশিত হয়েছে কি না আমরা এখনো জানি না। সৌরজগতের এক ছোট্ট নীলগ্রহে আমরা প্রাণের আবির্ভাব, রূপান্তর ও গণবিলুপ্তি দেখে চলেছি। অকোষী থেকে বহুকোষী, ঘাস থেকে ঘড়িয়াল কিংবা ম্যামথ থেকে মানুষ কত প্রাণপ্রজাতির আবির্ভাব আর বিলুপ্তি ঘটেছে এই গ্রহে। কিন্তু অযুত নিযুত প্রাণস্পন্দনের ভেতর প্রজাতি হিসেবে মানুষ কী করে সর্বময় ক্ষমতার কর্তৃত্ব দখল করল তা এখনো বিস্ময়ের।

পড়ুন: ভূমির বদল ভাষার বদল


সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক পেয়েছেন মাসুদ আলী খান (অভিনয়), শিমূল ইউসুফ (অভিনয়), গাজী আবদুল হাকিম (সংগীত), জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় (আবৃত্তি) ও নওয়াজীশ আলী খান (শিল্পকলা)। এ অর্জনে অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন তারা

পড়ুন: একুশে পদকপ্রাপ্তির তৃপ্তি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত