আবগারি দুর্নীতি মামলায় আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন দিল্লির সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়া। সোমবার (০৬ মার্চ) থেকেই তাই তার ঠিকানা হয়েছে তিহাড় জেল। ১০ বাই ১৫ বর্গফুটের একটি সিঙ্গেল সেলে থাকছেন মণীশ। প্রথম রাতে তিনি খেতে পেয়েছেন রুটি, ডাল এবং আলু মটরের তরকারি।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মণীশকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তারপর ৭ দিন সিবিআই হেফাজতে ছিলেন তিনি। সোমবার তাকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানায় সিবিআই। সেই আবেদনে সাড়া দেন আদালত। তারপর থেকেই দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানা তিহাড়ের ১ নম্বর জেল।
জেল সূত্র জানিয়েছে, মণীশকে যে সেলে রাখা হয়েছে, সেখানে তিনি একাই থাকবেন। অন্য কোনো অপরাধীকে ওই সেলে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে দিল্লির সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রীকে যেখানে রাখা হয়েছে, সেই ১ নম্বর জেলেই রয়েছেন কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুনীল মান ওরফে টিল্লু। এ ছাড়াও রয়েছেন গ্যাংস্টার নাসির, যোগেশ ওরফে টুন্ডা।
সোমবার বিকেলে মণীশকে তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে কিছু নিজস্ব পোশাক থাকলেও প্রথম রাতে জেল থেকে পোশাক দেওয়া হয়েছে তাকে। এছাড়া দুটি কম্বল এবং একটি বিছানার চাদর পেয়েছেন মণীশ। পাশাপাশি পেয়েছেন সাবান, টুথব্রাশ এবং নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস।
জেলের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মণীশের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। জেলের চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন। এরপর মেডিক্যাল রিপোর্ট পাঠানো হয় জেল সুপারের কাছে।’
এদিকে মণীশকে যে সেলে রাখা হয়েছে, তার ঠিক ৫০০ মিটার দূরে জেল নম্বর ৭। সেখানকার একটি সেলে রয়েছেন দিল্লির সাবেক কারামন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা সত্যেন্দ্র জৈন। আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তি মামলায় গত ৯ মাস ধরে তিহাড় জেলে বন্দি সত্যন্দ্র। খবর আনন্দবাজারের।
রাজনৈতিক মহলে দাবি করা হয়, মণীশ এবং সত্যেন্দ্র দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ডান এবং বাঁ হাত। শুধু তাই-ই নয়, মণীশ এবং সত্যেন্দ্র পরস্পরের ঘনিষ্ঠ।
