স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন

বিনামূল্যে চিকিৎসায় বছরে খরচ হচ্ছে ১২ বিলিয়ন ডলার

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২৩, ০১:৪৯ এএম

সরকার বিনামূল্যে চিকিৎসায় বছরে ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালে দৈনিক অন্তত ১০ লাখ এবং বছরে প্রায় ২৪ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কভিড মহামারী নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন, ভ্যাকসিন সংগ্রহ, বিতরণ ও প্রয়োগে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে বেসরকারি স্বাস্থ্য সেক্টরের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় কভিডে অবদান রাখায় বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ও ১০ জন ব্যক্তিকে কভিড হিরো হিসেবে আখ্যায়িত করে পুরস্কৃত করা হয়।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, কভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিশ্বের রোল মডেল হওয়াটা কোনো ম্যাজিকের মাধ্যমে হয়নি। এই হয়েছে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, উদ্যোগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে। এই মহামারী মোকাবিলা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার ফসল। মহামারী কভিড মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাকার চিন্তা করেননি, তিনি মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করে কাজ করেছেন।

ভ্যাকসিন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ যখন ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা করছে, তখন বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ তা বিনামূল্যে পেয়েছেন। বাংলাদেশে এক দিনে ১ কোটি ২০ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়ে বিশ্বে বিরল রেকর্ড করেছে। যখন আমেরিকা ও ইতালিতে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুহার ক্রমান্বয়ে বেড়ে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়, তখন বাংলাদেশে আক্রান্তের হার বাড়লেও একপর্যায়ে সেটি নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। ২০২০ সালের জুনের শেষে এবং জুলাইয়ে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কিছুটা বাড়তে থাকে, পরে সেটিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এম মুবিন খানের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, জাতীয় অধ্যাপক ডা. শাহলা খাতুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত