র‍্যাব হেফাজতে মৃত্যু: হাইকোর্টে নথি তলব

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৩, ০৯:০৫ পিএম

নওগাঁ শহর থেকে আটকের পর র‍্যাবের হেফাজতে মারা যাওয়া সুলতানা জেসমিনের ময়নাতদন্ত (পোস্টমর্টেম) প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র মঙ্গলবারের (২৮ মার্চ) মধ্যে দেখতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

গণমাধ্যমে প্রতিবেদন নজরে আনার পর সোমবার (২৭ মার্চ) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই সব তথ্য দাখিল করতে বলেন।

আদালত বলেছেন, ‘সুরতহাল ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এবং কী মামলার কারণে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল—সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট আমরা দেখব।’

ভুক্তভোগীকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কার কাস্টডিতে নিয়ে গিয়েছিল এবং কাদের উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাদের নাম–পদবিও রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে বলেছে আদালত।

এর আগে ‘উইমেন ডাইস ইন র‍্যাব কাস্টডি’ শিরোনামে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে আজ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন আদালতে তুলে ধরেন আইনজীবী মনোজ কুমার ভৌমিক।

তিনি বলেন, গত বুধবার জেসমিনকে আটক করে র‍্যাব হেফাজতে নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে এসেছে। আটকের ৩১ ঘণ্টা পর তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানিয়েছেন। নিহত নারীর পরিবার অভিযোগ করেছে, নির্যাতনে ওই নারীর হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে এসেছে। যতটুকু জানা গেছে, তাতে ওই ঘটনায় কোনো মামলাও হয়নি। বিষয়টির তদন্ত হওয়া উচিত। এ সময় আদালত ওই ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে বলেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনারের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে পরে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান আদালতে বলেন, ২৪ মার্চ ওই নারীর মৃত্যু হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত