সিদ্ধান্ত তিন জনের, দায় স্বীকার অন্যজনের

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:৪৫ পিএম

আগের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সরাসরি সংবাদ মাধ্যমকে দোষ দিয়েছিলেন বাফুফে প্রধান কাজী সালাউদ্দিন। সংবাদ মাধ্যমের সমালোচনার কারণেই তারা স্পন্সর পাননি। তাই মিয়ানমারে অলিম্পিক বাছাইপর্বে যেতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ফুটবলাররা। কাল সেইরকম উচ্চবাচ্য ছিল না।

কারণ নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত জরুরি সভায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না বাফুফে প্রধান। স্বভাবতই সংবাদ সম্মেলনেও তিনি নেই। তবে ভিডিও কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেছেন। বিদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল।

সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নারীদের মায়ানমার পাঠাতে না পারাটা তাদের ব্যর্থতা বলে স্বীকার করে নিয়েছে বাফুফে। ফেডারেশনের অন্যতম সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক বলেছেন, ‘কিছু ভুল বোঝাবুঝিতে এই ব্যর্থতা। একই সঙ্গে সভায় এ বছরের সামনের টুর্নামেন্টগুলো যেন মিস না হয় সেই করণীয় ঠিক করা হয়েছে। তাতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে নতুন করে বাজেট চাওয়াও অন্তর্ভুক্ত।’

সাফ ফুটবল জয়ের পর নারী ফুটবলারদের নিয়ে বড় স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের। বড় মঞ্চে তারা কেমন করে সেই চ্যালেঞ্জ ছিল সামনে। তা দেখে নেওয়ার ভালো উপলক্ষ ছিল অলিম্পিক বাছাই। এ টুর্নামেন্ট খেলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে ৯২ লাখ টাকার বাজেট দিয়েছিল বাফুফে। সঠিক সময়ে উপস্থাপন করতে না পারায় যা পাস হয়নি। কিন্তু বাজেট না পাওয়ায় শুধু সালাউদ্দিন-মাহফুজা আকতার কিরণ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের সিদ্ধান্তে এই টুর্নামেন্টে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাফুফে।

সভায় মাত্র তিনজনের সিদ্ধান্তে টুর্নামেন্ট বাতিল করাকে ‘নিজেদের ভুল বোঝাবুঝি’ বলে স্বীকার করে নেওয়া হয়। সহসভাপতি মানিক বলেছেন, ‘এটা একটু ভুল হয়েছে। নিজেদের মধ্যে, সরকারকে সঠিক সময়ে না জানানোয় সব মিলিয়েই একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এক পরিবারে থাকলে এমন কিছু হতেই পারে। সভায় কিন্তু এ বিষয়ে কোনো সদস্য আলোচনা করেননি। এসব বিষয় যখন উত্থাপন হয় তখন সবার সম্মুখে মিটিংয়েই আসা উচিত। যেহেতু এটা আজকের মিটিংয়ে আসেনি তাই আমি মনে করি এটা নিজেদের মধ্যে দূরত্ব না, ভুল বোঝাবুঝি। আমরা এর দিকে না তাকিয়ে সামনে দেখছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত