আমতলীতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে সংখ্যালঘু পরিবার

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৫৭ পিএম

বরগুনার আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে একটি পরিবার। এ ব্যাপারে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার গোছখালী গ্রামের রামেশ্বর রায় (৭৫)।

আমতলী থানায় করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোছখালী গ্রামের মতি সিকদার (৫০), মামুন সিকদার (৩৫), আল আমিন সিকদার (৪৫) ও মকবুল সিকদারের (৪৫) সঙ্গে জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল দরিদ্র রামেশ্বর রায়ের পরিবারের। এসবের জের ধরে গত বুধবার ভোরে মতি সিকদার, মকবুল সিকদার গং একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে রামেশ্বর রায়ের দোকান ভাঙচুর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় রামেশ^রের পরিবারকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া দিলে তারা প্রাণ নিয়ে কোনোরকমে পালান।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আল আমিন সিকদারকে মুঠোফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি দাবি করেন, কে বা কারা রামেশ্বর রায়ের দোকান ভাঙচুর করেছে তা জানিনা। আমি অসুস্থ, ঘটনাস্থলেও ছিলাম না।

আমতলী থানার ওসি এ কে এম মিজানুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে, আদালতের জারি করা স্থিতাবস্থা (১৪৪ ধারা) অমান্য করে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চর যশোরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তি তার কেনা নিজের জায়গাসহ আশপাশের বেশকিছু জায়গা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে আটটি পরিবারের অর্ধশত মানুষ।

খবর পেয়ে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাময়িকভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা জানালেও ভুক্তভোগীদের দাবি, যেটুকু জায়গা রাস্তার জন্য ছাড়া হয়েছে সেখান দিয়ে কৃষি ফসল আনা নেওয়া করা সম্ভব নয়।

তবে রবিউল আলম রাজিব জানান, তারা কেনা জমিতেই বেড়া দিয়ে দখল নিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, বেড়া নির্মাণ করা হলেও মানবিক কারণেই যাতায়াতের কিছুটা ব্যবস্থা করে রেখেছেন তারা।

নগরকান্দা থানার ওসি মিরাজ হোসেন জানান, যথাসময়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নোটিস জারি করা হয়। ঘটনার দিন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায় এবং তাদের যাতায়াতের পথ রাখার ব্যবস্থা করে।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হক জানান, স্থায়ী সমাধানের ক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত