ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সাইফুল ইসলাম নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা।
শুক্রবার বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর জেলা পরিষদের মার্কেটের সালমান অপটিকস্ চেম্বারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সাইফুল মূলত একজন কাপড় ব্যবসায়ী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর জেলা পরিষদের মার্কেটের সালমান অপটিকস্ চেম্বারে কথিত চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম নিজেকে এম বি বি এস (ঢাকা) বি.এইচ.এস (হেলথ) ডি.এ ও (চক্ষু) ই.বি.টি (চক্ষু) ট্রেইন্ড ইন অরবিস। এল.ভি.প্রসাদ, আই.ইন্সটিটিউট, হায়দারাবাদ চক্ষু রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছিলেন।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আ. হালিম ঐ চেম্বারে অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডাক্তার সাইফুলকে আটক করেন। পরে তার সকল কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওযায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এসময় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
আ. হালিম বলেন, ভুয়া চিকিৎসক মো. সাইফুল ইসলামের বাংলাদেশ ডেন্টাল ও মেডিকেল কাউন্সিলের নিবন্ধন নেই, এমবিবিএস সনদও নেই। তাই তার বিরুদ্ধে আইনই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
