কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগের কমিটি নিয়ে বর্ধিত সভায় ঢোকাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে উপজেলা চত্বরে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ায় বর্ধিতসভা স্থগিত করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগ।
শনিবার (০৫ মে) উপজেলার চত্বর ও আ'লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শনিবার বিকেলে উপজেলা যুবলীগের ৫৫ জন সদস্য নিয়ে বর্ধিতসভা হওয়ার কথা ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। যদিও সেখানে হাজার হাজার নেতা কর্মী নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘ ৮ বছর পর উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটিকে ঘিরে এ বর্ধিতসভা আয়োজন হয়। এতে সভাপতি পদে উপজেলা যুবলীগের বর্তমান আহ্বায়ক ও পৌর মেয়র আব্দুল মালেক, পৌর কাউন্সিলর জহিরুল্লাহ মজুমদার সুমন ও তার বড় ভাই তৌহিদুর রহমান মজুমদার প্রার্থী হন। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমন ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা হাছান খোরশেদ ভূইয়া প্রার্থী হন।
উপজেলা আ'লীগ কার্যালয়ে বর্ধিতসভা শুরু হওয়ার কিছু পর প্রোগ্রামে ঢোকাকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী জহিরুল্লাহ মজুমদার সুমন ও বর্তমান উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও পৌর মেয়র আব্দুল মালেকের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে ফাঁকা গুলি ছোঁড়া হলে নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে জেলা নেতৃবৃন্দ বর্ধিতসভা থেকে বের হয়ে উপজেলা হল রুমে সভা করার সিদ্ধান্ত নেন।
জেলা নেতৃবৃন্দ ও উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটির পদ প্রত্যাশীদের হাজার হাজার সমর্থকরা মিছিল করে উপজেলা চত্বরে গেলে পুনরায় সুমন ও মালেকের সমর্থকদের মধ্যে পুনরায় হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। সেখানেও ফাঁকা গুলি ছোঁড়া হয়। এতে নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ফলে তাৎক্ষণিক বর্ধিত সভা স্থগিত ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও লালমাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। যে সভাটির আয়োজন করা হয়েছে সেখানে কোন জানালা ছিলনা। অসম্ভব গরম। তাই তাৎক্ষণিক প্রোগ্রাম স্থগিত করে চলে আসি। পরে কি হয়েছে আমার জানা নেই।
