দেশীয় জাতের পাশাপাশি হাইব্রিড বা উচ্চ ফলনশীল জাতের ভুট্টার আবাদ রংপুরের তারাগঞ্জে ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে। তাই অন্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা আবাদে ঝুঁকছেন কৃষক। বর্তমানে কৃষকরা ভুট্টা সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ভুট্টার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। তবে, ভালো দাম না পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি নেই।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ বছর ১ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা আবাদ হয়েছে। ভুট্টার আবাদ বাড়াতে সরকার কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ দিয়েছে।
এদিকে, কৃষকদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট দাম বেঁধে দিয়েছে। কৃষক বাধ্য হয়ে ওই কম দামে ভুট্টা বিক্রি করছেন।
ইকরচালী দোহাজারী গ্রামের কৃষক বদিউজ্জামান বলেন, ৩০ শতক জমিতে ভুট্টার ভালো ফলন হয়েছিল। কিন্তু বাজারে বিক্রি করে লোকসান
গুনতে হয়েছে। চাষাবাদের খরচও ওঠেনি। গত মৌসুমে ভুট্টা জমি থেকে তুলেই ১ হাজার টাকা মণ বিক্রি করেছেন। অথচ এখন শুকিয়ে বিক্রি করলেও ৮৫০ টাকার বেশি
কেউ নিচ্ছে না। তাই সরকারিভাবে ভুট্টা কেনার দাবি জানাচ্ছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম বলেন, এ বছর উপজেলায় ভুট্টার ভালো ফলন হয়েছে। ভুট্টা লাভজনক চাষাবাদ। সরকারিভাবে উন্নতমানের বীজ ও সার বিনামূল্যে পাওয়ায় কৃষক ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন।
তবে দামের বিষয়টা আমাদের এখতিয়ারে নেই।
