মহাকাশযাত্রায় চীনের ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ

আপডেট : ২৯ মে ২০২৩, ১০:৪১ পিএম

মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য লাঘবে নিয়মিত মিশন পরিচালনা করছে চীন। তবে এ ক্ষেত্রে মহাকাশে মনুষ্যবাহী মিশনগুলোতে নভোচারী হিসেবে সামরিক সদস্যদের বেছে নেওয়ার প্রবণতা আছে বেইজিংয়ের। এখন পর্যন্ত চীন যাদের মহাকাশ স্টেশনটিতে পাঠিয়েছে তারা সবাই দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মির সদস্য। এবার সেই প্রবণতা কাটিয়ে উঠে নিজেদের তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে প্রথমবারের মতো কোনো বেসামরিক নভোচারীকে পাঠাচ্ছে চীন।

গতকাল সোমবার চীনের মহাকাশ সংস্থা জানায়, সব ঠিকঠাক থাকলে মঙ্গলবার উত্তর-পশ্চিম চীনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে গুই হাইচাও নামের ওই বেসামরিক ব্যক্তি মহাকাশযাত্রা শুরু করবেন। চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সির মুখপাত্র লিন জিয়াকিয়াং জানিয়েছেন, গুই বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব অ্যারোনটিকস ও অ্যাস্ট্রোনটিকসের অধ্যাপক। মূলত মহাকাশ গবেষণার পরীক্ষামূলক পেলোডগুলোর অন-অরবিট অপারেশনের কাজে নিয়োজিত থাকবেন তিনি। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের মিশনের কমান্ডার হলেন জিং হাইপেং। মহাকাশে এটি তার চতুর্থ যাত্রা। তৃতীয় ক্রু সদস্য হলেন প্রকৌশলী ঝু ইয়াংঝু।

চীন ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মহাকাশচারীদের অবতরণ করার পরিকল্পনা করেছে। এজন্য মহাকাশ কর্মসূচিতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে তারা। মহাকাশ জয়ের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়াকে পেছনে ফেলতে চাইছে চীন। দেশটি গত বছর তার তৃতীয় এবং স্থায়ী মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ের নির্মাণকাজ শেষ করে। টি-আকৃতির তিয়ানগংয়ের চূড়ান্ত মডিউলটি নভেম্বরে মূল কাঠামোর সঙ্গে সফলভাবে যুক্ত করা হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া বলছে, বিশ্বের প্রথম মহাকাশভিত্তিক কোল্ড অ্যাটমিক ক্লক সিস্টেমসহ বেশ কিছু অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম রয়েছে স্টেশনটিতে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত