প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বৈঠক করেছেন।
গতকাল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে বর্তমান জ্বালানি চ্যালেঞ্জগুলো বিষয়ে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়েও কথা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জ্বালানি উপদেষ্টার একান্ত সচিব মুকতাদির আজিজ বলেছেন, সকালে (বুধবার) পিটার হাস প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসেছিলেন। জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের আলোচনার বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা কী আলোচনা করেছেন তা জানি না। সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে টেকসই, ন্যায়সংগত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন পিটার হাস।
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ছে। বর্তমানের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্র বিবিয়ানার মালিক মার্কিন কোম্পানি শেভরন। দেশের গ্যাস উৎপাদনের ৬০ শতাংশ আসে শেভরনের গ্যাসক্ষত্রগুলো থেকে। আমদানি করা গ্যাস এলএনজির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি এক্সিলারেটের ভূমিকা মুখ্য। কোম্পানিটির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নিজে অপারেট করছে। আরেকটি ভাড়া দিয়েছে। আরও একটি টার্মিনাল পেতে যাচ্ছে এক্সিলারেট। সম্প্রতি সমুদ্রের পুরো ব্লকে কাজের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মার্কিন জায়ান্ট এক্সন মবিল। স্থলভাগেও কাজে আগ্রহী এ কোম্পানি। পাশাপাশি শেভরনও গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ পোষণ করেছে।
