পবিত্র হজের সর্বশেষ কার্যক্রম তাওয়াফুল বিদা বা বিদায়ী তাওয়াফ শেষে মক্কা ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফেরা শুরু করেছেন হাজিরা। গতকাল রাত থেকে হাজিরা সৌদি আরবের আকাশ, জল ও স্থলপথ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে ফেরা শুরু করেছেন। আর যেসব হাজি হজের আগে নবীজির শহরখ্যাত মদিনা মোনাওয়ারা যাননি, তারা যাচ্ছেন মদিনা। গত শুক্রবার রাত থেকে হারামাইন ট্রেন ও বাসে করে হাজিদের বিভিন্ন কাফেলা মদিনায় যাত্রা শুরু করে।
বাংলাদেশি হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট আজ থেকে শুরু। আজ রবিবার রাতে মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটটি ছাড়বে। সোমবার (৩ জুলাই) ভোর ৬টা ৫ মিনিটে হাজিদের নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করবে উড়োজাহাজটি।
এদিকে বাংলাদেশি হাজিদের সৌদিতে জমজমের পানি না কেনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে হাজিদের বহনকারী তিনটি এয়ারলাইনস। ঢাকায় হযরত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রত্যেক হাজি ৫ লিটারের জমজমের পানির একটি করে বোতল পাবেন। ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম অথবা সিলেট বিমানবন্দরেও একইভাবে জমজমের পানি পাবেন হাজিরা। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজ করতে সৌদি আরবে গেছেন।
এয়ারলাইনস জানায়, সৌদি সরকার প্রত্যেক হাজির জন্য পাঁচ লিটারের জমজমের পানি নির্ধারণ করেছে। তার বেশি আনার সুযোগ নেই। কোনো হাজি লাগেজে জমজমের পানি আনলে সেই লাগেজ সৌদিতেই থেকে যাবে। কিংবা সৌদি বিমানবন্দরে লাগেজ খুলে পানি ফেলে দেওয়ার পর তা বিমানে তুলতে দেবে। একইভাবে অনেক হাজি সৌদি থেকে উট, দুম্বার কাঁচা মাংস ফ্রোজেন করে আনার চেষ্টা করেন। এটিও নিষিদ্ধ। তাই এগুলো বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
