অমিত হাবিব, সহকর্মীদের প্রিয় অমিতদার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল এক সন্ধ্যার ছোট্ট আড্ডায়। এহসানুল হক বাবু ভাই পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, দৈনিক যায়যায়দিন বের হবে, তার প্রস্তুতির মূল কাজের দায়িত্বে আছেন অমিতদা, ভোরের কাগজ-এ ছিলেন। বাবু ভাই তখন নিউ এজ-এ। ওঁৎ পেতে ছিলেন, নতুন পত্রিকা বের হলেই অমিতদার সঙ্গে যোগ দেবেন। বাবু ভাইয়ের মুখে প্রশস্তি শুনে শুনে অমিতদার কাজের ধরন, তার নেতৃত্বগুণ সম্পর্কে একটা ধারণা জন্মেছিল। আর অবাক হয়েছিলাম একজন মানুষের দক্ষতা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের প্রতি অনুজ সহকর্মীদের কতটা আস্থা থাকলে চোখ বুজে তার সঙ্গে কাজের অপেক্ষায় থাকা যায় মাসের পর মাস। একটা পত্রিকায় কর্মরত থাকা অবস্থাতেই অনিশ্চিত যাত্রার আগাম প্রস্তুতি নেওয়া যায়। একসময় সেই নতুন পত্রিকা বের হলো বেশ বড় পরিসরে। বাবুভাই নিজে তো গেলেনই, নিউ এজ থেকে আরও দুই একজনকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন। সম্পাদক যদিও শফিক রেহমান, তারা গেলেন অমিদতার টানে। সেই টানটা যে কত প্রগাঢ়, তা আবারও দেখা গেল যখন কালের কণ্ঠ বের হলো। যথারীতি বাবুভাইও আছেন, আর ভোরের কাগজ থেকে শুরু করে যায়যায়দিন, সমকাল-এ যারা অমিতদার সঙ্গে কাজ করেছিলেন তাদের অনেককেও দেখা গেল এখানে। এ যাত্রায় আমিও শামিল হলাম। তখন নিউ এজ-এ ছিলাম। বাবু ভাই বলেছিলেন, ‘নতুন পত্রিকা হবে, অমিতদা আছেন (সম্পাদক আবেদ খান, তবু বাবুভাইদের মতো অনেকেই সিদ্ধান্ত নেন অমিতদার ওপর ভরসা করে), আপনিও চলে আসেন, একসঙ্গে কাজ করি।’ আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। এক রাতে আমি অফিসে কাজ করছিলাম, বাবুভাই ফোনে বললেন, ‘কাজ শেষ করে বাইরে আসেন।’ একটু পর বের হয়ে এফডিসি গেটের কাছে (তখন নিউ এজ অফিস ওইদিকে ছিল) বাবুভাই অপেক্ষা করছেন। বললেন, ‘গাড়িতে ওঠেন।’ ভেতরে অমিত হাবিব ছিলেন আর উম্মুল ওয়ারা সুইটি ছিল। আমরা বনানী স্টার কাবাব-এ গেলাম। অমিতদা নতুন পত্রিকা কালের কণ্ঠ নিয়ে বললেন। কথায় কথায় রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার সময় হয়ে গেল, তখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো না, অমিতদা বললেন, ‘চলেন আপনার বাসায় গিয়ে কথা বলি।’ শেষ পর্যন্ত বাসায় গিয়ে কথা শেষ হলো, রাত ২টার পর।
নতুন পত্রিকা বের হয় অন্য পত্রিকা থেকে আসা অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের হাত ধরে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন সাবেক সহকর্মীরা, গড়ে ওঠে নতুন পত্রিকার সাংগঠনিক কাঠামো, নতুনরাও যুক্ত হন। এ প্রক্রিয়া নতুন নয়। একটা পত্রিকা ছেড়ে নতুন একটা পত্রিকায় আসার পেছনে বেতন, পদোন্নতি, পেশাগত উৎকর্ষতার সম্ভাবনা, কারা অর্থায়ন করছে এসব হিসাব-নিকাশ নিশ্চয়ই প্রাধান্য পায়। তবে পেশাদার সংবাদকর্মীরা এটিও দেখেন এ পত্রিকার কা-ারি কে, সম্পাদক কে, ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কারা আছেন, এদের ওপর ভরসা করা যায় কি না, এরা কতটা এগিয়ে নিতে পারবেন নতুন এ প্রকল্প। যদিও এসব আগাম হিসাব-নিকাশ বেশিরভাগ সময়ই মেলে না, তবু ভরসার মানুষ পেলে নতুন নৌকায় উঠে অনিশ্চিত যাত্রায় শামিল হওয়া নির্দ্বিধায়।
তার গুণমুগ্ধ সহকর্মীদের কাছে অমিতদা ছিলেন সেইরকম একজন ভরসার মানুষ। অমিতদা ডেকেছেন, তা উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না এদের অনেকের কাছেই। আবার যাদের দরকার মনে করতেন, তাদের নিজেই ডাকতেন। মানের ব্যাপারে ছিলেন খুব সচেতন। চাইতেন দক্ষ সহকর্মী। পরিচিতদের কাছ থেকে খোঁজ নিতেন কোথায় আছে ভালো রিপোর্টার, কপি এডিটর, নিউজরুম ম্যানেজার, তাদের কীভাবে আনা যায়। দরকার হলে নিজে চলে যেতেন বাসায়, নানাভাবে বোঝাতেন কেন নতুন পত্রিকায় তাকে দরকার, কী কী করার সুযোগ আছে, কেন একটা ভালো পত্রিকা করা দরকার।
এখানে তার কোনো ইগো নেই। একমাত্র উদ্দেশ্য একজন দক্ষ কর্মীকে যে করেই হোক নিজের পত্রিকায় আনা। তিনি যে দায়িত্ব নিয়েছেন তার সর্বোচ্চ মান অর্জন করাই তার সাধনা। সেই সাধনায় ছিল তার একনিষ্ঠ আপসহীন পেশাদারি মনোভাব। দক্ষতার বিচারে বয়স বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক তার কাছে বড় ছিল না। যে ভূমিকায় যাকে তিনি প্রয়োজন মনে করেছেন তাকে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তিনি। তার আত্মবিশ্বাস ছিল প্রবল। যাদের আসার পরিকল্পনা ছিল না, দ্বিধা কাটিয়ে একসময় তারাও চলে আসত। এদের নিয়ে নতুন যাত্রায় দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে গিয়েছেন অমিত হাবিব।
কালের কণ্ঠ’র সব তৈরিই ছিল। সাজানো অফিস, জনবল, আনুষঙ্গিক সব উপকরণ। তবু শুরুটা হচ্ছিল না। অমিত হাবিব যোগ দিলেন, কোথায় কী ঘাটতি ছিল তা পূরণ হলো, দিনক্ষণ ঠিক হলো, ২০১০-এর ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত হলো কালের কণ্ঠ।
সব ক্ষেত্র প্রস্তুত আছে, অনুকূল পরিবেশ আছে, তবুও ‘টেক-অফ’ করার জন্য আরও কিছু বাকি থেকে যায়। তা হলো মোক্ষম সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো একজন নেতার। অমিত হাবিব ছিলেন সেইরকম একজন নেতা, যার পরিধি ছিল নিউজরুম। এখানকার নাড়ি-নক্ষত্র তার জানা। এর অলিগলি তার চেনা। এর ব্যাক অফিস, ফ্রন্ট অফিসের সবকিছু তার নখদর্পণে। ফলে নেতৃত্ব অনায়াসেই আসে তার কাছে।
নিউজরুম ছিল তার আরাধনাস্থল। কালের কণ্ঠে দেখেছি, সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পত্রিকা অফিসে কাটত তার। কাছেই বাসা, তবু দুপুরের খাবার নিজের রুমেই সারতেন। আড্ডাপ্রিয় মানুষটি খাবার টেবিলেও একা থাকতেন না। ঊর্ধ্বতন সহকর্মীদের সঙ্গে বসেই খেতেন। তাদের সবার সঙ্গে যে তার সদ্ভাব ছিল তা নয়, তবু ওয়ার্কিং রিলেশনটা বজায় রাখতেন। মনে কষ্টও ছিল, যা প্রকাশও করতেন ঘনিষ্ঠজনদের কাছে একান্ত আলাপে। অনেক দিনের ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের সঙ্গে তর্কযুদ্ধ, কথা কাটাকাটি হতেও দেখেছি। কিন্তু দিন শেষে নিজের কাজটি ঠিকই করে যেতেন, পরম নিষ্ঠায়।
বয়সে বা কর্মজীবনে অগ্রজ ও অনুজ সবাইকে আস্থায় নিয়ে, যার যার ভূমিকায় সক্রিয় রেখে কাজ আদায় করে নেওয়ার বিরল নেতৃত্বগুণ তার ছিল। সবার কথা শুনে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সবসময় তা সম্ভব হয় না। তবে নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের অ্যাকোমোডেটিভ হতে হয়, অনেকের কথা শোনার ধৈর্য থাকতে হয়। এ গুণটি তার ছিল।
তার ব্যক্তিগত কক্ষে জ্যেষ্ঠ থেকে কনিষ্ঠ সবার ছিল অবাধ যাতায়াত। কোনো ব্যক্তিগত সহকারী ছিল না। যখন যার ইচ্ছা বা দরকার চলে যেত। তার রুম খুব কমই খালি থাকত। এর মধ্যেই কারও লেখা দেখছেন, দাপ্তরিক ফাইল বা হিসাব নিকাশের শিটে চোখ বুলাচ্ছেন। সামনের চেয়ারে বসে কেউ কথা বলছে তাও শুনছেন। কেউ কেউ গুঁড়োদুধের চা খাওয়ার জন্য তার রুমে যেত, গল্পগুজব করত। তার সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে আলোচনা করা যেত বিনা সংকোচে। রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, সংগীত, খেলা। তার আগ্রহ সব কিছুতেই। রুমে কখনো ভাবগম্ভীর হয়ে বুঁদ হয়ে বই পড়তে বা কিছু লিখতে দেখিনি খুব একটা। তবু তার যে পড়াশুনার বিস্তৃতি বা গভীরতা, তা বুঝা যেত আলোচনা শুরু হলে। কোনো কিছু জানা না থাকলে জানার ভান করতেন না। জানা থাকলেও জাহির করতে শুনিনি। কারও কথা থামিয়ে নিজে বলতেন না।
এর মধ্যেই সচিবালয় থেকে বা কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থেকে রিপোর্টাররা এসে বলল সেদিন কোথায় কী হয়েছে। সবার কথাই তিনি শুনতেন মন দিয়ে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চাইতেন। অফিসের বাইরে তেমন একটা যেতেন না। তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ শ্রোতা। সবার কথা শুনতেন মন দিয়ে। রিপোর্টারদের চোখে দেখতেন ঘটনা প্রবাহ। এটা নিছক আড্ডা না। এটা তার কাজেরই অংশ। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভাগীয় প্রধানরাও যে যার মতো করে যেত তার রুমে, তাদের পরিকল্পনাও জানা যেত কথায় কথায়, চা-বিস্কিট-দই-মিষ্টি- মৌসুমি ফল খেতে খেতে। এর মধ্য থেকেই তিনি আঁচ পেতেন দিনের প্রধান প্রধান সংবাদ। তার মনে তৈরি হতে থাকত পত্রিকার ডামির কল্পচিত্র, সংবাদ শিরোনাম, নিউজ ট্রিটমেন্ট, নিউজ জাজমেন্ট, পেজ মেকআপ যার প্রতিফলন ঘটত সন্ধ্যার নিউজরুমে, পরের দিনের পত্রিকার পাতায়।
খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতায় নির্ভর করতেন না তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে দিনে কয়েকবার মিটিং, কোনো বিশেষ উপলক্ষে ঘটা করে প্ল্যানিং এসবের চেয়ে ব্যক্তিগত বা ছোট গ্রুপে অনানুষ্ঠানিক আলাপ করে কাজ করাতেই অমিতদা সম্ভবত বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। এসব আলাপচারিতায় সবার স্বতঃস্ফূর্ততা থাকে, সুনির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক আলোচনা বেশি অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর হয় তাই হয়তো এ পথটাই তার পছন্দ ছিল।
নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে পত্রিকায় কাঠামোগত কিছু পরিবর্তনের সূচনাও করেছিলেন তিনি। এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা ভেঙে রিপোর্টিংয়ে গুচ্ছভিত্তিক ব্যবস্থা রাজনীতি, প্রশাসন, বাণিজ্য এরকম আলাদা আলাদা ক্লাস্টার করে এক ধরনের বিকেন্দ্রীকরণের চেষ্টা করেছিলেন কালের কণ্ঠে। এর আগে যায়যায়দিন-এও এরকম ছিল শুনেছিলাম। এতে বিষয়ভিত্তিক ফোকাসড গ্রুপ হওয়ার ফলে নিউজরুমের কাজের গতানুগতিক ধরনে কিছুটা নতুনত্ব আসে। তার হয়তো আরও কিছু পরিকল্পনা ছিল, যা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেননি অনুকূল পরিবেশের অভাবে।
তার দেওয়া জাদুকরী হেডলাইনের কথা সহকর্মীদের মনে থাকবে অনেক দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে জমি রেজিস্ট্রি করেছিলেন এক দরিদ্র কৃষক কালের কণ্ঠে লিড হয়েছিল সেই খবর। শিরোনাম দিয়েছিলেন অমিতদা ‘বিরল ভালোবাসা’। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে ঢাকা মেডিকেলের এক কর্মচারীর কবরে লালসালু ঢাকা দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাজার। কালের কণ্ঠে এ খবরটি ছাপা হলো এ শিরোনামে ‘গোপনে বেড়ে উঠছে মাজার’। মার্কেজ মারা গেলেন, নিউজরুমে লেটনাইট ছিল কবি জুয়েল মোস্তাফিজের। খবরটি অনুবাদ করে অমিতদাকে ফোন করে জানতে চাইল শিরোনাম কী হবে। বললেন, ‘অনন্ত নির্জনতায় মার্কেজ’। দীর্ঘদিন পরও জুয়েলের কাছে মনে হয়নি, এ মৃত্যুর খবরের এর চাইতে ভালো শিরোনাম আর কিছু হতে পারত।
এসব তো পেশাগত দক্ষতা, যা তিনি অর্জন করেছেন নিজের দীর্ঘ কর্মপথ পরিক্রমায়। ভালো সম্পাদনা, ভালো শিরোনাম, ভালো উপাদান, দৃষ্টিনন্দন মেক-আপ। সে রকম প্রতিভা বিরল নয়, তখনো এরকম অনেকেই নিশ্চয়ই ছিল সংবাদপত্রে, এখনো আছে। যেটার অভাব সবকালেই ছিল, এখন আরও বেশি তা হলো সংবাদপত্রে নেতৃত্ব। এটি কি অর্জিত গুণ, নাকি সহজাত! হয়তো দুই রকমেরই। অমিত হাবিব ছিলেন সেই বিরল প্রতিভার একজন, যার নেতৃত্বে আস্থা রেখে নিশ্চিত জীবিকা ছেড়ে অনিশ্চিত যাত্রায় দ্বিধাহীনভাবে শামিল হয়েছে তার সহকর্মীরা। যার হাত ধরে গত দুই দশকে বের হয়েছে একাধিক পত্রিকা, সবখানে তিনি সম্পাদক ছিলেন না, তবু তিনি ছিলেন মধ্যমণি। বাইরে থেকে হয়তো বুঝা যাবে না। যারা তার সঙ্গে কাজ করেছেন তারাই শুধু বুঝবেন এ নেপথ্য সারথির মর্ম। তার সবশেষ ব্রেইনচাইল্ড ‘দেশ রূপান্তর’। এখানেই কর্মরত ছিলেন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার আগপর্যন্ত। শুধু সংবাদকক্ষের সহকর্মীদের ‘পালের গোদা’ হিসেবে নয়, করপোরেট বিনিয়োগকারীদের মেজাজ-মর্জির সঙ্গে যুঝে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থেকে সংবাদ প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবেও যে এ যুগে সফল হওয়া যায় তার অনন্য দৃষ্টান্ত অমিত হাবিব।
সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা দৈনিক ‘ভোরের কাগজ’-এ যারা সাংবাদিকতা শুরু করেছিল, তাদের অনেকের কাছে অমিতদা ছিলেন শিক্ষক, যিনি হাতে ধরে শিখিয়েছেন প্রতিবেদন লেখা, সম্পাদনা করা। আমরা যারা ক্যারিয়ারের মাঝবয়সে তার সহকর্মী হয়েছি, তারা দেখেছি তাকে নেতৃত্বের ভূমিকায়। ততদিনে তার তরুণ ‘শিক্ষার্থীরা’ পরিপক্ব হয়েছেন, অনেকেই বড় দায়িত্ব পালন করেছেন তার নতুন প্রকল্পে। এভাবেই তার শিক্ষা বিকশিত হয়েছে কার্যকর নেতৃত্বে, তাদের অনেকেই আজ নেতৃত্ব দিচ্ছেন অনেক সংবাদ প্রতিষ্ঠানে। আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল সংবাদমাধ্যমের জন্য একটা সুন্দর ভবিষ্যতের পথ তৈরির নেতৃত্ব তৈরির দায়িত্ব তাদেরই।
লেখক : উপসম্পাদক, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
