রকস্টার জেমস শুধু গানেই নয়, নিপুণ হাতের ফটোগ্রাফিতেও বুঁদ করে রাখতে জানেন। সুরের রাজ্যে ঝড় তোলা এই রকস্টার সুযোগ পেলেই হাতে তুলে নেন ক্যামেরা আর ফ্রেমবন্দি করেন সৌন্দর্য্যের। পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফিতে তিনি যে অসাধারণ সে প্রমাণ আগেই পেয়েছে দর্শক।
তার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দি হতে দেখা গেছে নন্দিত তারকা জয়া আহসান, সোহানা সাবা, সৈয়দ রুমা, জেসিয়া ইসলাম। বেশ অনেক দিন আগে জয়া আহসানের সেই ছবি নিয়ে সোশ্যালে বেশ চর্চা হয়েছিল।
এবার সেই রকস্টারের ক্যামেরায় পাওয়া গেল চিত্রনায়িকা সায়মা স্মৃতিকে। কিছুদিন আগে একটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে ফটো ক্রেডিট হিসেবে জেমসের নাম উল্লেখ করেন এই নবাগতা। সাদা-কালো ছবিতে যেন ‘মনোহারিণী’ রূপে দেখা দিয়েছেন তিনি। সেই ছবির মন্তব্যের ঘরে অনেকেই জেমসের ফটোগ্রাফির প্রশংসা করেন।
জেমসের ক্যামেরায় ‘মনোহারিণী’ রূপে সায়মা স্মৃতি
ছবিটি প্রসঙ্গে নায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ছবিটি দুই বছর আগে তোলা। সেই ছবিটিই এখন হুট করেন প্রকাশ্যে আনলেন।
সায়মা স্মৃতি বলেন, ‘জেমস ভাইয়ার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়, প্রায় সাত বছর তো হবেই। ফটোগ্রাফার রাফ ভাইয়ার মাধ্যমে উনার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল, এরপর সেসময়েই জেমস ভাইয়া আমার বেশ কয়েকটি ছবি তুলে দিয়েছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, ‘তোর লুক ভালো কিন্তু কিছু একটা মিসিং! তুই গ্রুমিং কর তাহলে তোর খুঁতটা তুই ধরতে পারবি’। উনি বিভিন্ন সময়েই আমাকে পরামর্শ দিতেন। এটা ২০১৬ সালের দিকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উনার ফটোগ্রাফির ভীষণ ফ্যান আমি। ভাইয়াকে প্রায় সময়ই বলতাম, আমাকে ছবি তুলে দিয়েন আর তিনি বলতেন, ‘ঠিক আছে, যখন আমি ফ্রি থাকব তুই চলে আসিস’। উনি বেশ কয়েকবারই আমাকে ছবি তুলে দিয়েছেন, প্রত্যেকটা ছবিই দারুণ। যেই ছবিটা পোস্ট করেছি সেটা ২০২১ সালে তোলা। করোনা মহামারীর ওই সময়টাতে সবাই ঘরবন্দি ছিল। এই সময়টাতে জেমস ভাইয়া ফটোগ্রাফি করতেন বেশি বেশি। ছবিটা তখনেরই তোলা।’

মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সায়মা স্মৃতির ‘যন্ত্রণা’ সিনেমা। আগামী অক্টোবরে মুক্তির কথা রয়েছে ছবিটির। আরিফুজ্জামান আরিফ পরিচালিত এই সিনেমায় স্মৃতির বিপরীতে অভিনয় করেছেন আদর আজাদ। এছাড়াও একই তালিকায় রয়েছে ‘জলরঙ’, ‘জল কিরণ’ এবং ‘সংযোগ’ সিনেমা।
তিনি জানান, নতুন দুটি সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। খুব শিগগিরই সেসব নিয়ে জানাবেন।
মাস কয়েক আগে তিনি আলোচনায় এসেছিলেন পরিচালক রায়হান রাফিকে নিয়ে একটি মন্তব্য করে। কোটি টাকা দিলেও সেই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করবেন না তিনি-এমন মন্তব্য নিয়ে সেসময় সোশ্যালে বেশ চর্চা হয়।
‘ইন্টারনেটের দুনিয়ায় জানতে হবে, কোথায় আপনার থামতে হবে’- ট্যাগলাইনে অনম বিশ্বাস পরিচালিত গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপন দিয়ে বছর দুয়েক আগে দর্শকমহলে পরিচিতি পান সায়মা স্মৃতি। বছর পাঁচেক আগে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর বিজ্ঞাপন দিয়ে শোবিজে হাতেখড়ি। এরপর রেদওয়ান রনি, নুহাশ হুমায়ূন, তানিম রহমান অংশু, সাফায়েত মনসুর রানার মত পরিচালকদের নির্মাণে কাজ করেছেন বিজ্ঞাপন ও বেশ কিছু নাটকে। গেল বছরের শুরুতেই নাম লেখান সিনেমায়, বছর শেষে সে সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় চারে।