গণতন্ত্রী বাইডেন শ্রমিকপ্রেমী ট্রাম্প

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৪৩ পিএম

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ইতিমধ্যে এই নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেমোক্রেটদলীয় জো বাইডেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনে নিজেদের এগিয়ে রাখতে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে সমর্থন বৃদ্ধি করতে তৎপর দুজনই। সম্প্রতি সিবিএসের জরিপে বাইডেনের বয়স নিয়ে অনেক মার্কিনির শঙ্কা প্রকাশ পায়, যা স্বীকার করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলছেন, তবুও দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচনে লড়বেন তিনি। বাইডেন বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র এখনো ঝুঁকির মধ্যে থাকায় পুনরায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।

স্থানীয় সময় সোমবার নিজের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের জন্য নিউ ইয়র্কে তহবিল সংগ্রহের সময় বাইডেন এসব কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ^ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য নিউ ইয়র্ক সফর করার সময় তার পুনর্নির্বাচনের প্রচারণার জন্য নগদ অর্থ সংগ্রহ করছেন এবং সোমবার সেখানেই তার বয়স সম্পর্কে উদ্বেগও স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র এখনো ঝুঁকির মধ্যে থাকায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে তহবিল সংগ্রহের এক অনুষ্ঠানে ৮০ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার সমর্থকদের বলেন, ‘অনেক লোক আমার বয়সের দিকে মনোযোগী বলে মনে হচ্ছে। ভালো, আমি এটা বুঝতে পারি। বিশ^াস করুন, আমার বয়সের বিষয়টা আমি যে কারও চেয়ে ভালো জানি।’ ২০২০ সালের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পরাজিত করেছিলেন বাইডেন। তবে অতীতের সেই পরাজয়ের পরও আগামী নির্বাচন সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের দৌড়ে থাকা রিপাবলিকান পার্টির অন্য নেতাদের চেয়ে এবার জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক অভিযোগে ট্রাম্পের যেন শাপে বর অবস্থা, কারণ মামলা-অভিযোগে তার জনসমর্থন আরও বাড়ছে। আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তাই বেশ আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প। এই আত্মবিশ্বাসের কারণে প্রচলিত প্রথা মেনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে দ্বিতীয় বিতর্কেও অংশ নিচ্ছেন না তিনি। রয়টার্স জানায়, ট্রাম্প এর বদলে ২৭ সেপ্টেম্বর ডেট্রয়েটে ইউনিয়ন কর্মীদের একটি সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। আর এর মাধ্যমে মূলত ধর্মঘটকারী শ্রমিকদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতাদের মধ্যে চলমান বিরোধে ট্রাম্প নিজেকে সংশ্লিষ্ট করতে চলেছেন। রয়টার্স বলছে, সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসনের বৈদ্যুতিক যানের নীতির কঠোর সমালোচনা করছেন। এ ছাড়া গাড়ি কারখানার শ্রমিকদের তার প্রার্থিতা সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত