জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় শ্বশুর বাড়িতে রিথি আক্তার (১৫) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চরবানী পাকুরিয়া ইউনিয়নের চরপলিশা পূর্বপাড়া তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত রিথি ওই ইউনিয়নের বেতমারী এলাকার রফিকুল ইসলাম মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, 'রিথি ও তার স্বামী গোলাম রব্বানী চরপলিশা জাহানারা লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী হওয়ার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। এ পরিচয় থেকে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বছরের মে মাসে পারিবারিকভাবে বিয়ে তাদের হয়। তবে বিয়ের পরে থেকে রিথি বেশির ভাগ সময় বাবার বাড়িতেই থাকতেন। আজ বিকাল ৩টার দিকে রিথি স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেল করে শ্বশুর বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয়রা বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ঘরের মেঝেতে রিথির মরাদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনার পর স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। ওই নববধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'আমরা মরদেহ ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। এ সময় বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্বামীর বাড়ির সবাই পলাতক রয়েছে। সূরতহাল প্রতিবেদনে আঘাতের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়নাতদন্তে শেষে বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
