খেলা চলছে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে, ব্রাজিল তখন পিছিয়ে। নিকোলাস দে লার ফাউলের শিকার হলেন নেইমার। স্ট্রেচারে করে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড। তার চোট পরিস্থিতি কেমন, তা নিশ্চিত জানা যায়নি এখনও। তবে ব্রাজিল অধিনায়ক কাসেমিরোর আশা ভয়ঙ্কর কিছু হয়নি নেইমারের।
'আশা করুন, নেইমারের ভয়ঙ্কর কিছু হয়নি। সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়, সে আমাদের ভীষণ প্রিয়। চোট তাকে অনেক দিন ধরে ভোগাচ্ছে এবং যখন সে সেরা পর্যায়ে যাওয়ার পথে থাকে, আবারও চোট পায়।'
ব্রাজিল টিমের ডাক্তার রদ্রিগো লাসমার জানিয়েছেন, ‘এখনই নেইমারের ইনজুরি কতটা গুরুতর সেটি বলা যাচ্ছে না। আমরা সব ধরনের পরীক্ষা করছি, আগামীকালও একই পরীক্ষাগুলো করা হবে। তার হাঁটুর পরবর্তী অবস্থা দেখা হবে আগামী ২৪ ঘণ্টা পরে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, দেখি কী আসে পরবর্তী পরীক্ষায়।’
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নেইমার একটি স্টোরি দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘সৃষ্টিকর্তা সব বিষয়ে জানেন। সকল শ্রদ্ধা ও কৃতিত্ব একমাত্র তোমার, আমার স্রষ্টা। যাই ঘটুক, আমি তোমার ওপরই আস্থা রাখি।’
এর আগে পিএসজিতে থাকাকালে অ্যাঙ্কলের চোটে পড়ে সাতমাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান নেইমার। তাদের হয়ে আর আনুষ্ঠানিক ম্যাচে নামা হয়নি তার। এরপর সর্বশেষ ট্রান্সফার মৌসুমে ব্রাজিলের পোস্টারবয় ইউরোপ ছেড়ে যোগ দেন সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলালে। মাঠে ফিরেই তিনি ব্রাজিলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যান। ছাড়িয়ে যান স্বদেশি কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকেও। ২০১০ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২৮ ম্যাচে নেইমারের গোলসংখ্যা ৭৯টি।