জনবান্ধব, বিচারপ্রার্থীদের সহজলভ্য ও আধুনিক বিচারব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদি বিচারিক পরিকল্পনার (জুডিশিয়াল প্ল্যান) অংশ হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মতামত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স কক্ষে এ বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এসব তথ্য জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এএফ হাসান আরিফ, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর, শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ, মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল, সাবেক সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী।
সভায় প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগ থেকে দুর্নীতি নির্মূলকরণ, আদালতের কার্যক্রম গতিশীলকরণ, বিচারকাজের মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় গবেষনামূলক পদক্ষেপ, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্তদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিচারব্যবস্থা নিয়ে অনেক অভিযোগ আছে। কিন্তু এসব অভিযোগ নিরসনের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা প্রয়োজন এবং সমস্যা নিরসনের জন্য কার্যকর মেকানিজম বা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা সবাই একটি সুন্দর, সক্ষম ও সচল বিচার বিভাগ চাই। আমাদের এ পরিকল্পনা নিখুঁত হবে না জানি, কিন্তু পথচলার জন্য পরিকল্পনা থাকা আবশ্যক। ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য এ পরিকল্পনা আমরা একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে রেখে যাব। আমি মনে করি এভাবে আমরা একটি গণমুখী ও জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হব।’
