বরিশালে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রবিবার সকালে নগরীর কবি জীবনানন্দ দাশ সড়কের কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগারে কবির প্রতিকৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন করেন বরিশালের কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক নেতাকর্মীরা।
পরে জাতীয় কবিতা পরিষদ বরিশাল শাখা ও প্রগতি লেখক সংঘের আয়োজনে কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কবির স্মৃতিরক্ষায় কিছুই করতে না পারার কষ্ট তুলে ধরে তার নামে আলাদা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা। পাশাপাশি কবির বাড়ি পুনরুদ্ধারের দাবি জানান তারা।
বক্তারা বলেন, বরিশালে কবি জীবনানন্দ দাশ ইন্সটিটিউট ও মিলনায়তন সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ নিজেও এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, বরিশালে শিগগিরই কবি জীবনানন্দ দাশ ইন্সটিটিউট ও মিলনায়তন, নজরুল সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরির কাজ শুরু হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দীন হায়দার সে সময় জায়গাও নির্ধারিত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। তারপরও আজ পর্যন্ত বরিশালে কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
জাতীয় কবিতা পরিষদ বরিশালের সভাপতি তপংকর চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী সাবেক অধ্যাপক বিমল চক্রবর্তী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. মোজাম্মেল হক, কবি ও ছড়াকার দীপংকর চক্রবর্তী, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সভাপতি নাট্যকার নাজমুল হোসেন আকাশ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দীন গোলাপ, প্রগতি লেখক সংঘের সভাপতি অপূর্ব গৌতম, সাধারণ সম্পাদক শোভন কর্মকার, কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথি, কবি ও সাংবাদিক সৈয়দ মেহেদী হাসান, কবি সব্যসাচি সেনগুপ্ত প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কবির কবিতাকে সুরারোপ করে গান পরিবেশন, কবির কবিতা আবৃতি, স্বরচিত কবিতা পাঠ করা হয়।
