ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে খুলনায় মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। ঝির ঝির বাতাসে শীত অনুভূত হচ্ছে। আজ সকাল থেকে সূর্যের আলো দেখা যায়নি। তবে যান চলাচল ও মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে।
অন্যদিকে, ‘হামুন’-এর মোকাবিলায় খুলনায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬০৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র। সেইসাথে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ৫ হাজার ২৮০ জন স্বেচ্ছাসেবককেও।
খুলনার জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসিন হাসান খান (মিডিয়া সেল) জানান, মঙ্গলবার সকালে অনলাইনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ৬০৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এরমধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৪টি উপজেলা দাকোপ, বটিয়াঘাটা, কয়রা ও পাইকগাছায় ৪৩৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৮০ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন। পাশাপাশি ৫৬০টি গবাদি পশু রাখা যাবে।
খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আমিরুল আজাদ জানান, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় বরিশাল ও চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে বুধবার সকালে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে হালকা দমকা হাওয়া ও মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
