কর্ণফুলীর দক্ষিণ তীরে হবে নতুন শহর

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৩২ এএম

টানেল নির্মাণে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দিক তুলে ধরে নিজের অভিমত জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তার সঙ্গে কথা বলেছেন দেশ রূপান্তরের ভূঁইয়া নজরুল দেশ রূপান্তর : কর্ণফুলীর তলদেশে টানেলের বিষয়টি কখন আলোচনায় আসে?

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন : তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণের সময় এ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ আমরা সোচ্চার হয়েছিলাম। বলেছিলাম, পিলার সেতু নির্মিত হলে নদীতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাবে এবং চট্টগ্রাম বন্দর হুমকির মুখে পড়বে। আমরা ঝুলন্ত ব্রিজের পক্ষে দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু পরে ক্যাবল স্ট্রেইট ব্রিজ (কম পিলারের) নির্মাণ করা হয়। মনে আছে, তখনই টানেলের বিষয়টি প্রথমবারের মতো উত্থাপন হয়েছিল। তবে ২০০৮ সালে লালদীঘিতে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম টানেল নির্মাণের ঘোষণা দেন। আর আজকের টানেল সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখছে দেশের মানুষ।

দেশ রূপান্তর : দক্ষিণ চট্টগ্রাম এখনো পিছিয়ে রয়েছে। চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ কি টানেলের উভয় প্রান্তে বিকশিত হতে পারবে?

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ : বোয়ালখালীর কালুরঘাট ব্রিজ থেকে পটিয়া, কর্ণফুলী ও আনোয়ারা হয়ে পারকি সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত পুরো দক্ষিণ পাড়কে নতুন শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। আর তবেই ওপারে শহরও গড়ে উঠবে।

দেশ রূপান্তর : এর জন্য তো এখনই পরিকল্পনা করা জরুরি। সেই পরিকল্পনা কি আমরা করছি?

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ : এটা ঠিক ওই এলাকার ভূমি ব্যবহার নিয়ে এখনই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে যাতে কেউ স্থাপনা নির্মাণসহ অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ড করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে সেতুবন্ধন করবে এই টানেল।

দেশ রূপান্তর : মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এবং মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের মধ্যে সেতুবন্ধন হবে কি এই টানেল?

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ : মিরসরাই থেকে আনোয়ারা বাঁশখালী হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত একটি মেরিন ড্রাইভওয়ে নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এটিরও কাজ চলছে। আর এই মেরিন ড্রাইভটি চালু হলে টানেলের শতভাগ সুফল পাওয়া যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত