কেন্দ্রীয় নেতার নির্দেশে পুলিশ হত্যা

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৩, ০১:৫৪ এএম

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক পারভেজকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিটিটিসির প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানান।

গত সোমবার রাতে রাজধানীর মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আমান হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমান কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার নির্দেশে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হত্যায় নেতৃত্ব দেন।

এ কর্মকর্তা বলেন, সমাবেশের দিন আমান তার বড় একটি দল নিয়ে মূল মঞ্চের আশপাশেই ছিল। আগে থেকেই তাদের ওপর নির্দেশনা ছিল পুলিশের ওপর বর্বরোচিত ও নৃশংস হামলা চালিয়ে পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়া।

যদি প্রয়োজন পড়ে এক বা একাধিক পুলিশ সদস্যকে হত্যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা। হাইকমান্ডের নির্দেশে আমান তার দল নিয়ে ভিক্টরি হোটেলের পাশের গলি দিয়ে পুলিশের ওপরে হামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সদস্যদের একটি বড় অংশ বক্স কালভার্ট রোডের পূর্ব দিকে অবস্থিত ডিআর টাওয়ার ও আশপাশের স্থাপনায় অবস্থান নেয়। এ অবস্থায় আমানের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা পুলিশ সদস্যদের হামলা করার জন্য ক্রমাগত ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। বিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজ রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে যায়। এমন সময় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি দিয়ে ক্রমাগত আঘাত করতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পরে আমান তার অনুসারীদের নিয়ে বক্স কালভার্ট রোডের পশ্চিম দিক দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

সিটিটিসির প্রধান আরও বলেন, রিমান্ডে এনে আমানকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় আর কারা কারা জড়িত রয়েছে তা তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করছি না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত